রাঙামাটি সদর উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন গতি সঞ্চার করতে গঠিত হয়েছে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ী গঠিত এই কমিটির মাধ্যমে পাহাড়ের ক্রীড়াঙ্গনে আধুনিকতা ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটতে যাচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পদাধিকার বলে এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কমিটিতে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় মাঠ পর্যায়ের দক্ষ ক্রীড়া সংগঠকদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা সদস্য হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক তৌহিদুল আলম (মামুন)। সাবেক এই ফুটবলার বর্তমানে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের কাউন্সিলর এবং রাঙামাটি জেলার ক্রীড়া অঙ্গনের পরিচিত মুখ। অন্যদিকে, উদীয়মান ও কর্মঠ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এন কে এম মুন্না তালুকদার সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। ২০১০ সালে ‘ইয়াং টাইগার স্পোর্টিং ক্লাব’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা বিকাশে মুন্না ইতোমধ্যে তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।
সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর এন কে এম মুন্না তালুকদার তার স্বপ্নের কথা জানান। তিনি বলেন, “রাঙামাটির ক্রীড়াঙ্গনকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।” স্কুল-কলেজ পর্যায়ে নিয়মিত টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং প্রতিটি এলাকায় সক্রিয় ক্রীড়া ক্লাব গড়ে তোলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
স্থানীয় ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের সহযোগিতায় মামুন ও মুন্নার মতো মাঠের মানুষদের এই অন্তর্ভুক্তি রাঙামাটি সদরে ঝিমিয়ে পড়া খেলাধুলায় নতুন প্রাণ দেবে। বিশেষ করে তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে জাতীয় পর্যায়ে রাঙামাটির প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়বে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গামাটি 















