শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা

সংবিধান লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তথাকথিত পশ্চিমা বিশ্ব থেকে চাপিয়ে দেওয়া ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। সংবিধানের মূল চেতনাবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব। জোটের মতে, একটি নির্দিষ্ট মহল পরিকল্পিতভাবে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর পরিচয়কে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে উল্লিখিত প্রধান পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: সংগঠনটি মনে করে, ‘আদিবাসী’ শব্দচয়ন কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় দর্শনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকই ‘বাংলাদেশি’ এবং সমমর্যাদার অধিকারী। আন্তর্জাতিক কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দেশে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষ্যে এই শব্দটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছে জোট।পার্বত্য অঞ্চলের মারমা, চাকমা, ত্রিপুরাসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব। তবে এই স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা জাতীয় সংহতির জন্য হুমকিস্বরূপ।পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমান শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিভাজনমূলক ভাষা ও পরিচয়ের রাজনীতি পাহাড়ের মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের পরিচয় বাংলাদেশি নাগরিকত্বের মধ্যেই নিরাপদ। বিবৃতিতে সরকার, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি স্পষ্ট বার্তায় জানায়, বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি সম্ভব।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা

সংবিধান লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

প্রকাশিত: ১২:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তথাকথিত পশ্চিমা বিশ্ব থেকে চাপিয়ে দেওয়া ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। সংবিধানের মূল চেতনাবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব। জোটের মতে, একটি নির্দিষ্ট মহল পরিকল্পিতভাবে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর পরিচয়কে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে উল্লিখিত প্রধান পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: সংগঠনটি মনে করে, ‘আদিবাসী’ শব্দচয়ন কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় দর্শনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকই ‘বাংলাদেশি’ এবং সমমর্যাদার অধিকারী। আন্তর্জাতিক কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দেশে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষ্যে এই শব্দটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছে জোট।পার্বত্য অঞ্চলের মারমা, চাকমা, ত্রিপুরাসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব। তবে এই স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা জাতীয় সংহতির জন্য হুমকিস্বরূপ।পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমান শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিভাজনমূলক ভাষা ও পরিচয়ের রাজনীতি পাহাড়ের মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের পরিচয় বাংলাদেশি নাগরিকত্বের মধ্যেই নিরাপদ। বিবৃতিতে সরকার, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি স্পষ্ট বার্তায় জানায়, বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি সম্ভব।