পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) খাগড়াছড়ি জেলা শাখা নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার লোকমান হোসাইন, এস এম মাসুম রানা ও মোকতাদের হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটিই জেলার একমাত্র বৈধ কমিটি। বহিষ্কৃত সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান কর্তৃক ঘোষিত তথাকথিত ‘আহ্বায়ক কমিটি’কে সম্পূর্ণ অবৈধ ও গঠনতন্ত্র বিরোধী বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি গঠিত হয়। পিসিএনপির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভার কাউন্সিলররা তাদের নেতা নির্বাচন করেন। এই নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে পরাজিত হন আব্দুল মজিদ।
কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনিরুজ্জামান মনির ও মহাসচিব মোঃ আলমগীর কবির অভিযোগ করেন যে, আওয়ামী লীগের দোসর ও ফ্যাসিবাদী শক্তির আশীর্বাদপুষ্ট পিসিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান নিজস্ব স্বার্থ হাসিলে লিপ্ত। তারা জানান, নির্বাচনে পরাজিত আব্দুল মজিদকে ‘সেভ’ করতে এবং ঠিকাদারি ও ব্যক্তিগত ধান্দাবাজির ভাগ-বাটোয়ারা নিশ্চিত করতেই এই অবৈধ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট করে বলেন, “পিসিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত স্থায়ী কমিটির সভার মাধ্যমে নিতে হয়। কিন্তু খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি বিলুপ্তির বিষয়ে স্থায়ী কমিটি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। কাজী মজিবর এককভাবে ফ্যাসিস্ট কায়দায় এই ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, লোকমান-মাসুম-মোকতাদের কমিটিই সংগঠনের মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় এবং বৈধ। এর বাইরে গিয়ে কেউ সংগঠনের নাম ব্যবহার করে অসাংগঠনিক কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষকেও ইতোমধ্যে অবহিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়।










