শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক; জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা

রাঙ্গামাটিতে পুলিশের ঝটিকা অভিযান গাঁজাসহ মাদক সম্রাট হোসেন গ্রেফতার

  1. পাহাড়ের জনপদকে মাদকতামুক্ত করতে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক কুখ্যাত মাদক সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) শহরের দোয়েল চত্বর এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশনায় ও কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের সরাসরি নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল শহরের বিভিন্ন মাদক স্পটে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে রাঙ্গামাটি পৌরসভার ০২ নম্বর ওয়ার্ডের দোয়েল চত্বর থেকে রিজার্ভ বাজারগামী সড়কের পাশে ‘বাবুলের চায়ের দোকান’ সংলগ্ন এলাকা থেকে মাদক কারবারি মোঃ হোসেনকে (৪৮) আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় আধা কেজি (৫০০ গ্রাম) গাঁজা।

    গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ হোসেন রাঙ্গামাটি পৌরসভার ০৬ নম্বর ওয়ার্ডের রূপনগর (টিভি সেন্টার সংলগ্ন) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং বর্তমানে শিমুলতলী এলাকায় বসবাস করছিলেন। তার পিতার নাম মৃত সাহাব মিয়া ও মাতার নাম মৃত মর্তুজা খাতুন। পুলিশ জানায়, হোসেন এলাকায় একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

    কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং এই ধরণের বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক; জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা

রাঙ্গামাটিতে পুলিশের ঝটিকা অভিযান গাঁজাসহ মাদক সম্রাট হোসেন গ্রেফতার

প্রকাশিত: ০৫:১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  1. পাহাড়ের জনপদকে মাদকতামুক্ত করতে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক কুখ্যাত মাদক সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) শহরের দোয়েল চত্বর এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশনায় ও কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের সরাসরি নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল শহরের বিভিন্ন মাদক স্পটে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে রাঙ্গামাটি পৌরসভার ০২ নম্বর ওয়ার্ডের দোয়েল চত্বর থেকে রিজার্ভ বাজারগামী সড়কের পাশে ‘বাবুলের চায়ের দোকান’ সংলগ্ন এলাকা থেকে মাদক কারবারি মোঃ হোসেনকে (৪৮) আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় আধা কেজি (৫০০ গ্রাম) গাঁজা।

    গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ হোসেন রাঙ্গামাটি পৌরসভার ০৬ নম্বর ওয়ার্ডের রূপনগর (টিভি সেন্টার সংলগ্ন) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং বর্তমানে শিমুলতলী এলাকায় বসবাস করছিলেন। তার পিতার নাম মৃত সাহাব মিয়া ও মাতার নাম মৃত মর্তুজা খাতুন। পুলিশ জানায়, হোসেন এলাকায় একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

    কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং এই ধরণের বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।