শিরোনামঃ
Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর
সীমান্তে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি পাচারকারীদের শনাক্তে ছোটফরিংগা এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি

রামগড়ে ৪৩ বিজিবির ব্লক রেইড-ধাওয়া খেয়ে বস্তা ফেলে পালালো চোরাকারবারীরা, বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার

 

খাগড়াছড়ির রামগড় ও চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক ঝটিকা অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ছোটফরিংগা সীমান্ত এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মালামাল ফেলে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যাওয়ায় কোনো চোরাকারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বড় ধরনের মাদকের চালান প্রবেশের খবর পায় বিজিবি। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছোটফরিংগা বিওপির একটি চৌকস দল সীমান্ত পিলার ২২০৩/২-আরবি থেকে প্রায় ১০০ গজ ভেতরে ‘তালতলা’ নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়।

কিছুক্ষণ পর ভারত থেকে তিন চোরাকারবারীকে বস্তা কাঁধে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির ধাওয়া খেয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে তিনটি বড় প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে দ্রুত ঘন জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তাগুলো তল্লাশি করে ১৫টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম (পিএসসি) জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বর্তমানে বিজিবি সদর দপ্তরে জমা রাখা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “সীমান্ত দিয়ে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে আমরা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছি। মাদক পাচার ও মানবপাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে অবিচল রয়েছে। সীমান্ত এলাকাকে নিরাপদ রাখতে আমাদের এই অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।” মাদক ও চোরাচালান দমনে স্থানীয় সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

সীমান্তে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি পাচারকারীদের শনাক্তে ছোটফরিংগা এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি

রামগড়ে ৪৩ বিজিবির ব্লক রেইড-ধাওয়া খেয়ে বস্তা ফেলে পালালো চোরাকারবারীরা, বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার

প্রকাশিত: ০৩:০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

 

খাগড়াছড়ির রামগড় ও চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক ঝটিকা অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ছোটফরিংগা সীমান্ত এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মালামাল ফেলে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যাওয়ায় কোনো চোরাকারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বড় ধরনের মাদকের চালান প্রবেশের খবর পায় বিজিবি। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছোটফরিংগা বিওপির একটি চৌকস দল সীমান্ত পিলার ২২০৩/২-আরবি থেকে প্রায় ১০০ গজ ভেতরে ‘তালতলা’ নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়।

কিছুক্ষণ পর ভারত থেকে তিন চোরাকারবারীকে বস্তা কাঁধে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির ধাওয়া খেয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে তিনটি বড় প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে দ্রুত ঘন জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তাগুলো তল্লাশি করে ১৫টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম (পিএসসি) জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বর্তমানে বিজিবি সদর দপ্তরে জমা রাখা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “সীমান্ত দিয়ে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে আমরা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছি। মাদক পাচার ও মানবপাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে অবিচল রয়েছে। সীমান্ত এলাকাকে নিরাপদ রাখতে আমাদের এই অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।” মাদক ও চোরাচালান দমনে স্থানীয় সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।