শিরোনামঃ
Logo পাহাড়ে নতুন আশার আলো: আলীকদম জোনের উদ্যোগে দুর্গম জনপদে চালু হলো চাঁদের গাড়ি ও নৌকা সেবা Logo জলমগ্ন মহালছড়িতে স্বস্তির ছোঁয়া: বন্যার্তদের পাশে এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার প্রতিনিধিরা Logo মহালছড়িতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ পালিত: শিশুর সুস্বাস্থ্যে মায়ের দুধের বিকল্প নেই Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ: লক্ষীছড়িতে গর্ভবতী নারী ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু Logo অবিলম্বে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের আহ্বান রাঙামাটি জামায়াতের Logo দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান Logo পেঁপে বাগান ধ্বংস ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে রাঙামাটিতে পিসিসিপির বিক্ষোভ, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo চাঁদার দাবিতে ৮০০ পেঁপে গাছ নিধন: পিসিএনপির তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের শাস্তির দাবি Logo দেশবরেণ্য সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে সিআরএর দোয়া মাহফিল Logo পাহাড়ে রোমাঞ্চের করুণ পরিণতি: রুমায় মোটরসাইকেল খাদে পর্যটক নিহত ২
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ১৭ ইসিবির যৌথ পদক্ষেপে পাহাড়ি মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান; নিরাপদ ও সহজ চলাচলে স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয়দের মাঝে।

পাহাড়ে নতুন আশার আলো: আলীকদম জোনের উদ্যোগে দুর্গম জনপদে চালু হলো চাঁদের গাড়ি ও নৌকা সেবা

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে এক অনন্য উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আলীকদম সেনা জোন এবং ১৭ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (১৭ ইসিবি)-এর যৌথ উদ্যোগে পাহাড়ি এলাকায় চালু করা হয়েছে বিশেষ “চাঁদের গাড়ি” ও নৌকা সেবা। এর ফলে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের এতদিন যাতায়াতের জন্য চরম ভোগান্তির শিকার হতে হতো। বিশেষ করে নদী পারাপার এবং পাহাড়ি উঁচু-নিচু পথ পাড়ি দিয়ে জেলা ও উপজেলা সদরে যাতায়াত ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য। সাধারণ মানুষের এই দুর্দশার কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন ও ১৭ ইসিবি যৌথভাবে এই বিশেষ পরিবহন সেবা চালু করার উদ্যোগ নেয়।

এই সেবা চালুর ফলে পাহাড়ি জনপদের শিক্ষার্থী, রোগী এবং সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ এখন খুব সহজেই এবং নিরাপদে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারবেন। স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলে যোগাযোগের এই সুগম পথ কেবল যাতায়াত ব্যবস্থাই সহজ করেনি, বরং স্থানীয় অর্থনীতি এবং শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন মানবিক ও জনবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় জনসাধারণের।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাহাড়ে নতুন আশার আলো: আলীকদম জোনের উদ্যোগে দুর্গম জনপদে চালু হলো চাঁদের গাড়ি ও নৌকা সেবা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ১৭ ইসিবির যৌথ পদক্ষেপে পাহাড়ি মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান; নিরাপদ ও সহজ চলাচলে স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয়দের মাঝে।

পাহাড়ে নতুন আশার আলো: আলীকদম জোনের উদ্যোগে দুর্গম জনপদে চালু হলো চাঁদের গাড়ি ও নৌকা সেবা

প্রকাশিত: ০৪:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে এক অনন্য উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আলীকদম সেনা জোন এবং ১৭ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (১৭ ইসিবি)-এর যৌথ উদ্যোগে পাহাড়ি এলাকায় চালু করা হয়েছে বিশেষ “চাঁদের গাড়ি” ও নৌকা সেবা। এর ফলে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের এতদিন যাতায়াতের জন্য চরম ভোগান্তির শিকার হতে হতো। বিশেষ করে নদী পারাপার এবং পাহাড়ি উঁচু-নিচু পথ পাড়ি দিয়ে জেলা ও উপজেলা সদরে যাতায়াত ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য। সাধারণ মানুষের এই দুর্দশার কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন ও ১৭ ইসিবি যৌথভাবে এই বিশেষ পরিবহন সেবা চালু করার উদ্যোগ নেয়।

এই সেবা চালুর ফলে পাহাড়ি জনপদের শিক্ষার্থী, রোগী এবং সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ এখন খুব সহজেই এবং নিরাপদে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারবেন। স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলে যোগাযোগের এই সুগম পথ কেবল যাতায়াত ব্যবস্থাই সহজ করেনি, বরং স্থানীয় অর্থনীতি এবং শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন মানবিক ও জনবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় জনসাধারণের।