শিরোনামঃ
Logo জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মহালছড়িতে বৃক্ষরোপণ উৎসব Logo রাঙামাটিতে মাশরুম চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo ১২০ প্রাণহানির সেই ট্র্যাজেডি: নয় বছর পরও রাঙামাটিবাসীর মনে ভয় Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা
সংকট মোকাবিলায় উৎসবের রঙ ফিকে হলেও সাশ্রয়ের পথে হাঁটছে দেশ; কার্যকর হচ্ছে নতুন অফিস সময়সূচি

আলোকসজ্জায় ‘না’, কর্মঘণ্টায় কাটছাঁট: বিদ্যুৎ বাঁচাতে সরকারের কঠোর দাওয়াই

দেশজুড়ে ঘনীভূত হওয়া জ্বালানি সংকট কাটাতে এবার সরাসরি ‘অ্যাকশন’-এ সরকার। বিলাসিতা আর অপচয় কমিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটা শুরু করেছে প্রশাসন। এখন থেকে বিয়ে কিংবা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান—জাঁকজমকপূর্ণ আলোকসজ্জা থাকছে নিষিদ্ধের তালিকায়। সেই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আপনার প্রাত্যহিক জীবনের চিরচেনা রুটিনও; সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন সময়সূচি।

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় এই কঠোর সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে হয়েছে সরকারকে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী: যেকোনো উৎসব বা সামাজিক অনুষ্ঠানে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা এখন থেকে অতীত। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের স্বার্থে এই ধরনের অপচয়মূলক ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের পরিবর্তে অফিস চলবে নির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত সময়ে। এর মূল লক্ষ্য হলো দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সান্ধ্যকালীন বিদ্যুতের ওপর চাপ কমানো। সরকারের এই নির্দেশনা ঠিকঠাক পালন করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিতে মাঠে থাকবে বিশেষ তদারকি দল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের যাতায়াত বা উৎসবে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করলেও, দীর্ঘমেয়াদী লোডশেডিং বা বড় কোনো বিপর্যয় এড়াতে এর বিকল্প নেই। জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমিয়ে আনা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় এই ‘মিতব্যয়িতা নীতি’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আলোর ঝিলিক কমিয়ে অন্ধকার তাড়ানোর এই লড়াইয়ে এখন সাধারণ মানুষের সহযোগিতাই বড় শক্তি। বিলাসিতা বিসর্জন দিয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার এই বার্তাই এখন সময়ের দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মহালছড়িতে বৃক্ষরোপণ উৎসব

সংকট মোকাবিলায় উৎসবের রঙ ফিকে হলেও সাশ্রয়ের পথে হাঁটছে দেশ; কার্যকর হচ্ছে নতুন অফিস সময়সূচি

আলোকসজ্জায় ‘না’, কর্মঘণ্টায় কাটছাঁট: বিদ্যুৎ বাঁচাতে সরকারের কঠোর দাওয়াই

প্রকাশিত: ০৫:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে ঘনীভূত হওয়া জ্বালানি সংকট কাটাতে এবার সরাসরি ‘অ্যাকশন’-এ সরকার। বিলাসিতা আর অপচয় কমিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটা শুরু করেছে প্রশাসন। এখন থেকে বিয়ে কিংবা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান—জাঁকজমকপূর্ণ আলোকসজ্জা থাকছে নিষিদ্ধের তালিকায়। সেই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আপনার প্রাত্যহিক জীবনের চিরচেনা রুটিনও; সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন সময়সূচি।

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় এই কঠোর সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে হয়েছে সরকারকে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী: যেকোনো উৎসব বা সামাজিক অনুষ্ঠানে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা এখন থেকে অতীত। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের স্বার্থে এই ধরনের অপচয়মূলক ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের পরিবর্তে অফিস চলবে নির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত সময়ে। এর মূল লক্ষ্য হলো দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সান্ধ্যকালীন বিদ্যুতের ওপর চাপ কমানো। সরকারের এই নির্দেশনা ঠিকঠাক পালন করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিতে মাঠে থাকবে বিশেষ তদারকি দল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের যাতায়াত বা উৎসবে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করলেও, দীর্ঘমেয়াদী লোডশেডিং বা বড় কোনো বিপর্যয় এড়াতে এর বিকল্প নেই। জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমিয়ে আনা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় এই ‘মিতব্যয়িতা নীতি’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আলোর ঝিলিক কমিয়ে অন্ধকার তাড়ানোর এই লড়াইয়ে এখন সাধারণ মানুষের সহযোগিতাই বড় শক্তি। বিলাসিতা বিসর্জন দিয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার এই বার্তাই এখন সময়ের দাবি।