শিরোনামঃ
Logo মানিকছড়িতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন: ডিজিটাল লেনদেনে নতুন দিগন্ত Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কাপ্তাইয়ে বরইছড়ি মুসলিম সমাজের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎ Logo রাঙামাটিতে ১৩তম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান—কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আলোচনা সভা
অতিরিক্ত দায়িত্বে জোড়াতালির প্রশাসন; থমকে গেছে পাহাড়ি জনপদের উন্নয়ন।

২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

মহালছড়ি উপজেলা পরিষদ ভবনের মেইন গেট, শূন্য ইউএনও কার্যালয় এবং নেমপ্লেটের ক্লোজ-আপ শট।
একটি উপজেলার প্রশাসনিক মূল চালিকাশক্তি যেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা ইউএনও, সেখানে দীর্ঘ দুটি মাস ধরে সম্পূর্ণ অভিভাবকহীন খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলা।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ বারান্দায় অপেক্ষা করছেন, ফাইলে সই না হওয়া হতাশ। নিয়মিত ইউএনও মোঃ আবু রায়হান বদলি হওয়ার পর ৬০ দিনেরও বেশি সময় পার হলেও, এখনো মেলেনি নতুন কোনো স্থায়ী কর্মকর্তা। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম, আর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। |

পার্শ্ববর্তী গুইমারা উপজেলার ইউএনও মিসকাতুল তামান্নাকে দেওয়া হয়েছে মহালছড়ির অতিরিক্ত দায়িত্ব। কিন্তু নিজের মূল কর্মস্থল সামলে সপ্তাহে মাত্র এক বা দুদিন দূরবর্তী এই পাহাড়ি অঞ্চলে এসে রুটিন কাজ করা কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়। সিংহভাগ সময়ই উপজেলা থাকছে নেতৃত্বহীন।

জাতীয়তা সনদ, বিভিন্ন ফাইল, সরকারি অনুদানের কাগজপত্রের ক্লোজ-আপ এবং মাঠপর্যায়ে থমকে থাকা কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের (যেমন রাস্তা বা কালভার্ট)।
জরুরি প্রত্যয়নপত্র, জাতীয়তা সনদ, বিভিন্ন দাপ্তরিক ফাইলের অনুমোদন কিংবা সরকারি অনুদান বণ্টন—সবখানেই এখন আটকে আছে সাধারণ মানুষের ভাগ্য। শুধু তাই নয়, মাঠপর্যায়ে তদারকির অভাবে থমকে গেছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডও।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ ভুক্তভোগীরা বলেন ইউএনও স্যার না থাকায় আমরা ছোটখাটো কাজের জন্য এসেও দিনের পর দিন ঘুরে যাচ্ছি। দূর থেকে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে। এলাকায় কোনো জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ারও মানুষ নেই। আমরা দ্রুত একজন স্থায়ী ইউএনও চাই।

পাহাড়ি এই অঞ্চলের প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের নিত্যদিনের এই ভোগান্তি দূর করতে অবিলম্বে মহালছড়িতে একজন স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে সরকার—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মানিকছড়িতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন: ডিজিটাল লেনদেনে নতুন দিগন্ত

অতিরিক্ত দায়িত্বে জোড়াতালির প্রশাসন; থমকে গেছে পাহাড়ি জনপদের উন্নয়ন।

২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

প্রকাশিত: ০৩:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

মহালছড়ি উপজেলা পরিষদ ভবনের মেইন গেট, শূন্য ইউএনও কার্যালয় এবং নেমপ্লেটের ক্লোজ-আপ শট।
একটি উপজেলার প্রশাসনিক মূল চালিকাশক্তি যেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা ইউএনও, সেখানে দীর্ঘ দুটি মাস ধরে সম্পূর্ণ অভিভাবকহীন খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলা।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ বারান্দায় অপেক্ষা করছেন, ফাইলে সই না হওয়া হতাশ। নিয়মিত ইউএনও মোঃ আবু রায়হান বদলি হওয়ার পর ৬০ দিনেরও বেশি সময় পার হলেও, এখনো মেলেনি নতুন কোনো স্থায়ী কর্মকর্তা। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম, আর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। |

পার্শ্ববর্তী গুইমারা উপজেলার ইউএনও মিসকাতুল তামান্নাকে দেওয়া হয়েছে মহালছড়ির অতিরিক্ত দায়িত্ব। কিন্তু নিজের মূল কর্মস্থল সামলে সপ্তাহে মাত্র এক বা দুদিন দূরবর্তী এই পাহাড়ি অঞ্চলে এসে রুটিন কাজ করা কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়। সিংহভাগ সময়ই উপজেলা থাকছে নেতৃত্বহীন।

জাতীয়তা সনদ, বিভিন্ন ফাইল, সরকারি অনুদানের কাগজপত্রের ক্লোজ-আপ এবং মাঠপর্যায়ে থমকে থাকা কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের (যেমন রাস্তা বা কালভার্ট)।
জরুরি প্রত্যয়নপত্র, জাতীয়তা সনদ, বিভিন্ন দাপ্তরিক ফাইলের অনুমোদন কিংবা সরকারি অনুদান বণ্টন—সবখানেই এখন আটকে আছে সাধারণ মানুষের ভাগ্য। শুধু তাই নয়, মাঠপর্যায়ে তদারকির অভাবে থমকে গেছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডও।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ ভুক্তভোগীরা বলেন ইউএনও স্যার না থাকায় আমরা ছোটখাটো কাজের জন্য এসেও দিনের পর দিন ঘুরে যাচ্ছি। দূর থেকে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে। এলাকায় কোনো জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ারও মানুষ নেই। আমরা দ্রুত একজন স্থায়ী ইউএনও চাই।

পাহাড়ি এই অঞ্চলের প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের নিত্যদিনের এই ভোগান্তি দূর করতে অবিলম্বে মহালছড়িতে একজন স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে সরকার—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের।