পহেলা বৈশাখ মানেই নতুন আনন্দ, নতুন উদ্দীপনা। তবে অসুস্থতার কারণে যাদের ঈদ বা উৎসব কাটে হাসপাতালের সাদা চাদরে, তাদের জন্য এই আনন্দ কিছুটা ম্লান। উৎসবের সেই অপূর্ণতা দূর করতে এবং রোগীদের মনে আশার আলো জ্বালাতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
১৪ এপ্রিল, মঙ্গলবার সকালে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম প্রহরে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা যায় এক ভিন্নধর্মী দৃশ্য। উৎসবের আমেজে হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে শয্যাশায়ী রোগীদের সাথে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হক।
সকাল ১০ ঘটিকায় শুরু হওয়া এই পরিদর্শনে তিনি প্রতিটি রোগীর শয্যাপাশে গিয়ে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। কেবল চিকিৎসা নয়, বরং নতুন বছরের প্রথম দিনে একজন অভিভাবকের মতো আন্তরিক সান্নিধ্য পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন চিকিৎসাধীন সাধারণ মানুষ। হাসপাতালের চার দেয়ালে বন্দী রোগীদের মুখে ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি।
শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হাসপাতালের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার, সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে এক সৌজন্য সভায় মিলিত হন। তিনি সকলকে বৈশাখের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান।
ডাঃ মোজাম্মেল হক তার বক্তব্যে বলেন, “হাসপাতাল কেবল একটি সেবা কেন্দ্র নয়, এটি আস্থার জায়গা। নতুন বছরে আমাদের অঙ্গীকার হবে সেবার মানকে আরও উন্নত করা এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া।বর্ষণমুখর বা তপ্ত দুপুরে হাসপাতালের এই মানবিক পরিবেশ সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক,রামগড় 

















