শিরোনামঃ
Logo জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মহালছড়িতে বৃক্ষরোপণ উৎসব Logo রাঙামাটিতে মাশরুম চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo ১২০ প্রাণহানির সেই ট্র্যাজেডি: নয় বছর পরও রাঙামাটিবাসীর মনে ভয় Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা
পাবলিক হেলথ বিভাগের গর্তে জমেছে নোংরা পানি; জনদুর্ভোগ চরমে, বর্ষায় ভয়াবহ পরিস্থিতির শঙ্কা

রাঙ্গামাটিতে এডিসি কলোনী মাদ্রাসার সামনে ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা


রাঙ্গামাটি শহরের এডিসি কলোনী এলাকায় জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ ও রাস্তার মাঝখানে জমে থাকা নোংরা পানি। বিশেষ করে পাবলিক হেলথ বিভাগের অব্যবস্থাপনায় সৃষ্ট এই কৃত্রিম ভোগান্তিতে দিশেহারা স্থানীয় বাসিন্দা ও নূরানী তালিমুল কোরআন মাদ্রাসা ও হেফজখানা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ (পাবলিক হেলথ) পানির লাইনের কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে গর্ত করে। কাজ শেষ হলেও গর্তগুলো যথাযথভাবে ভরাট না করায় সেখানে পয়ঃনিষ্কাশনের পানি ও আবর্জনা জমে স্থায়ী ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে মাদ্রাসার ঠিক প্রবেশমুখে। জমে থাকা ময়লা পানি থেকে ছড়ানো তীব্র দুর্গন্ধে ক্লাসে বসে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কোমলমতি শিশুদের বাধ্য হয়ে এই নোংরা পানি ও ময়লা মাড়িয়েই মাদ্রাসায় যাতায়াত করতে হচ্ছে।

মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, দুর্গন্ধে ক্লাসে মন বসানো কঠিন। এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীরা পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হবে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই। অভিভাবকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম। এখন যদি এই গর্ত ভরাট ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হয়, তবে বর্ষায় এলাকাটি চলাচলের পুরোপুরি অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবার বিষয়টি নজরে আনা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তাদের দাবি—অবিলম্বে মাদ্রাসার সামনের ময়লা অপসারণ করে রাস্তা সংস্কার করা হোক এবং একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মহালছড়িতে বৃক্ষরোপণ উৎসব

পাবলিক হেলথ বিভাগের গর্তে জমেছে নোংরা পানি; জনদুর্ভোগ চরমে, বর্ষায় ভয়াবহ পরিস্থিতির শঙ্কা

রাঙ্গামাটিতে এডিসি কলোনী মাদ্রাসার সামনে ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত: ১০:০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

রাঙ্গামাটি শহরের এডিসি কলোনী এলাকায় জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ ও রাস্তার মাঝখানে জমে থাকা নোংরা পানি। বিশেষ করে পাবলিক হেলথ বিভাগের অব্যবস্থাপনায় সৃষ্ট এই কৃত্রিম ভোগান্তিতে দিশেহারা স্থানীয় বাসিন্দা ও নূরানী তালিমুল কোরআন মাদ্রাসা ও হেফজখানা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ (পাবলিক হেলথ) পানির লাইনের কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে গর্ত করে। কাজ শেষ হলেও গর্তগুলো যথাযথভাবে ভরাট না করায় সেখানে পয়ঃনিষ্কাশনের পানি ও আবর্জনা জমে স্থায়ী ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে মাদ্রাসার ঠিক প্রবেশমুখে। জমে থাকা ময়লা পানি থেকে ছড়ানো তীব্র দুর্গন্ধে ক্লাসে বসে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কোমলমতি শিশুদের বাধ্য হয়ে এই নোংরা পানি ও ময়লা মাড়িয়েই মাদ্রাসায় যাতায়াত করতে হচ্ছে।

মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, দুর্গন্ধে ক্লাসে মন বসানো কঠিন। এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীরা পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হবে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই। অভিভাবকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম। এখন যদি এই গর্ত ভরাট ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হয়, তবে বর্ষায় এলাকাটি চলাচলের পুরোপুরি অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবার বিষয়টি নজরে আনা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তাদের দাবি—অবিলম্বে মাদ্রাসার সামনের ময়লা অপসারণ করে রাস্তা সংস্কার করা হোক এবং একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।