শিরোনামঃ
Logo রাঙ্গামাটিতে কোতোয়ালী পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান একাধিক মামলার আসামিসহ গ্রেফতার ৩ Logo খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘অবৈধ’ কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তি না হওয়ার আহ্বান: লোকমান-মাসুম কমিটিই বৈধ Logo সাংস্কৃতিক জাগরণে লক্ষ্মীছড়ি জোন-সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম উপহার Logo মানবসেবার অঙ্গীকারে রাঙামাটিতে যুব রেড ক্রিসেন্টের মাসিক সভা সম্পন্ন Logo আলোকসজ্জায় ‘না’, কর্মঘণ্টায় কাটছাঁট: বিদ্যুৎ বাঁচাতে সরকারের কঠোর দাওয়াই Logo খাগড়াছড়ির রামগড়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহকর্মীর আঘাতে চিকিৎসক আহত Logo লংগদু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চট্টগ্রামে ধরা পড়ল সাজাপ্রাপ্ত আসামি ফজলুল Logo ধর্মগোধা বৌদ্ধ বিহারের নতুন কমিটি গঠন: প্রধান উপদেষ্টা নির্মল বড়ুয়া মিলন, সভাপতি পংকজ Logo বাঘাইছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কর্স পার্টির নতুন পথচলা: ১৯ সদস্যের উপজেলা কমিটি গঠন Logo হালদার স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় মানিকছড়িতে সাঁড়াশি অভিযান বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ
সংকট মোকাবিলায় উৎসবের রঙ ফিকে হলেও সাশ্রয়ের পথে হাঁটছে দেশ; কার্যকর হচ্ছে নতুন অফিস সময়সূচি

আলোকসজ্জায় ‘না’, কর্মঘণ্টায় কাটছাঁট: বিদ্যুৎ বাঁচাতে সরকারের কঠোর দাওয়াই

দেশজুড়ে ঘনীভূত হওয়া জ্বালানি সংকট কাটাতে এবার সরাসরি ‘অ্যাকশন’-এ সরকার। বিলাসিতা আর অপচয় কমিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটা শুরু করেছে প্রশাসন। এখন থেকে বিয়ে কিংবা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান—জাঁকজমকপূর্ণ আলোকসজ্জা থাকছে নিষিদ্ধের তালিকায়। সেই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আপনার প্রাত্যহিক জীবনের চিরচেনা রুটিনও; সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন সময়সূচি।

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় এই কঠোর সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে হয়েছে সরকারকে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী: যেকোনো উৎসব বা সামাজিক অনুষ্ঠানে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা এখন থেকে অতীত। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের স্বার্থে এই ধরনের অপচয়মূলক ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের পরিবর্তে অফিস চলবে নির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত সময়ে। এর মূল লক্ষ্য হলো দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সান্ধ্যকালীন বিদ্যুতের ওপর চাপ কমানো। সরকারের এই নির্দেশনা ঠিকঠাক পালন করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিতে মাঠে থাকবে বিশেষ তদারকি দল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের যাতায়াত বা উৎসবে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করলেও, দীর্ঘমেয়াদী লোডশেডিং বা বড় কোনো বিপর্যয় এড়াতে এর বিকল্প নেই। জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমিয়ে আনা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় এই ‘মিতব্যয়িতা নীতি’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আলোর ঝিলিক কমিয়ে অন্ধকার তাড়ানোর এই লড়াইয়ে এখন সাধারণ মানুষের সহযোগিতাই বড় শক্তি। বিলাসিতা বিসর্জন দিয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার এই বার্তাই এখন সময়ের দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে কোতোয়ালী পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান একাধিক মামলার আসামিসহ গ্রেফতার ৩

সংকট মোকাবিলায় উৎসবের রঙ ফিকে হলেও সাশ্রয়ের পথে হাঁটছে দেশ; কার্যকর হচ্ছে নতুন অফিস সময়সূচি

আলোকসজ্জায় ‘না’, কর্মঘণ্টায় কাটছাঁট: বিদ্যুৎ বাঁচাতে সরকারের কঠোর দাওয়াই

প্রকাশিত: ০৫:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে ঘনীভূত হওয়া জ্বালানি সংকট কাটাতে এবার সরাসরি ‘অ্যাকশন’-এ সরকার। বিলাসিতা আর অপচয় কমিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটা শুরু করেছে প্রশাসন। এখন থেকে বিয়ে কিংবা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান—জাঁকজমকপূর্ণ আলোকসজ্জা থাকছে নিষিদ্ধের তালিকায়। সেই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আপনার প্রাত্যহিক জীবনের চিরচেনা রুটিনও; সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন সময়সূচি।

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় এই কঠোর সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে হয়েছে সরকারকে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী: যেকোনো উৎসব বা সামাজিক অনুষ্ঠানে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা এখন থেকে অতীত। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের স্বার্থে এই ধরনের অপচয়মূলক ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের পরিবর্তে অফিস চলবে নির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত সময়ে। এর মূল লক্ষ্য হলো দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সান্ধ্যকালীন বিদ্যুতের ওপর চাপ কমানো। সরকারের এই নির্দেশনা ঠিকঠাক পালন করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিতে মাঠে থাকবে বিশেষ তদারকি দল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের যাতায়াত বা উৎসবে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করলেও, দীর্ঘমেয়াদী লোডশেডিং বা বড় কোনো বিপর্যয় এড়াতে এর বিকল্প নেই। জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমিয়ে আনা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় এই ‘মিতব্যয়িতা নীতি’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আলোর ঝিলিক কমিয়ে অন্ধকার তাড়ানোর এই লড়াইয়ে এখন সাধারণ মানুষের সহযোগিতাই বড় শক্তি। বিলাসিতা বিসর্জন দিয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার এই বার্তাই এখন সময়ের দাবি।