শিরোনামঃ
Logo পাহাড়ে উৎসবের আমেজে রক্তপাত গুইমারায় যুবককে পিটিয়ে জখম Logo সব জাতিসত্তার ঐক্যে গড়ে উঠবে নতুন বাংলাদেশ পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান Logo পাহাড়ের চূড়ায় সম্প্রীতির মহোৎসব নুনছড়ি ‘মাতাই পুখিরী’ তীর্থ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন Logo গুইমারায় আর্তমানবতার সেবায় সিন্দোকছড়ি জোন ১৬ এপ্রিল বিনামূল্যে চক্ষু ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন Logo পার্বত্য মন্ত্রী দিপেন দেওয়ান ‘আদিবাসী’ শব্দ প্রয়োগে তীব্র নিন্দা- সামাজিক ভারসাম্য নষ্টের আশঙ্কা সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের Logo তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত Logo সাজেকে যৌথ বাহিনীর বড় অভিযান বিপুল পরিমাণ চোরাই সেগুন কাঠ জব্দ Logo পাহাড়ে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার আহ্বান সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের নববর্ষের শুভেচ্ছা Logo রাঙামাটিতে ১১ দলীয় জোটের বিশাল বিক্ষোভ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ডাক Logo হ্রদে ভাসল ফুল পাহাড়ে শুরু হলো রঙের উৎসব ‘বৈসাবি’
সম্প্রীতির মিলনমেলায় মুখরিত নুনছড়ি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজারো মানুষের ঢল

পাহাড়ের চূড়ায় সম্প্রীতির মহোৎসব নুনছড়ি ‘মাতাই পুখিরী’ তীর্থ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

পার্বত্য চট্টগ্রামের সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি নুনছড়ি ‘মাতাই পুখিরী’ (দেবতার পুকুর)। ঐতিহ্য আর ধর্মীয় অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণে সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুভ উদ্বোধন করা হলো নুনছড়ি মাতাই পুখিরী তীর্থ মেলা-১৪৩৩।বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়চূড়ার এই বৃহৎ মিলনমেলাটি কেবল ধর্মীয় আচারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি পরিণত হয়েছে পাহাড়ি-বাঙালি ও বিচিত্র জাতিগোষ্ঠীর এক অসাম্প্রদায়িক মিলনমেলায়।

মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মহালছড়ি জোনের জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ, পিএসসি জি। শান্তির প্রতীক পায়রা ও রঙিন বেলুন উড়িয়ে তিনি এই উৎসবের সূচনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন-মেজর মোঃ আহসান (ক্যাম্প কমান্ডার, বিজিতলা আর্মি ক্যাম্প),রাজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (আহ্বায়ক, তীর্থ মেলা উদযাপন কমিটি),স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধনের পর ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গারোয়া নৃত্য’ ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থিত হাজারো দর্শনার্থীকে মুগ্ধ করে।সবার উপরে বাংলাদেশ
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ বলেন-আমরা একটি বহু সংস্কৃতির দেশে বসবাস করি। আমাদের প্রধান শক্তি হলো সকল ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যকার সম্প্রীতি ও সহাবস্থান। এই তীর্থ মেলা পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে নিজেদের ঐতিহ্য সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করে।

প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার তীর্থযাত্রী ও পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। মেলায় আগতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিশেষ টহলের আওতায় আনা হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পাহাড়ে উৎসবের আমেজে রক্তপাত গুইমারায় যুবককে পিটিয়ে জখম

সম্প্রীতির মিলনমেলায় মুখরিত নুনছড়ি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজারো মানুষের ঢল

পাহাড়ের চূড়ায় সম্প্রীতির মহোৎসব নুনছড়ি ‘মাতাই পুখিরী’ তীর্থ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

প্রকাশিত: ১২:৪৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি নুনছড়ি ‘মাতাই পুখিরী’ (দেবতার পুকুর)। ঐতিহ্য আর ধর্মীয় অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণে সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুভ উদ্বোধন করা হলো নুনছড়ি মাতাই পুখিরী তীর্থ মেলা-১৪৩৩।বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়চূড়ার এই বৃহৎ মিলনমেলাটি কেবল ধর্মীয় আচারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি পরিণত হয়েছে পাহাড়ি-বাঙালি ও বিচিত্র জাতিগোষ্ঠীর এক অসাম্প্রদায়িক মিলনমেলায়।

মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মহালছড়ি জোনের জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ, পিএসসি জি। শান্তির প্রতীক পায়রা ও রঙিন বেলুন উড়িয়ে তিনি এই উৎসবের সূচনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন-মেজর মোঃ আহসান (ক্যাম্প কমান্ডার, বিজিতলা আর্মি ক্যাম্প),রাজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (আহ্বায়ক, তীর্থ মেলা উদযাপন কমিটি),স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধনের পর ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গারোয়া নৃত্য’ ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থিত হাজারো দর্শনার্থীকে মুগ্ধ করে।সবার উপরে বাংলাদেশ
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ বলেন-আমরা একটি বহু সংস্কৃতির দেশে বসবাস করি। আমাদের প্রধান শক্তি হলো সকল ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যকার সম্প্রীতি ও সহাবস্থান। এই তীর্থ মেলা পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে নিজেদের ঐতিহ্য সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করে।

প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার তীর্থযাত্রী ও পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। মেলায় আগতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিশেষ টহলের আওতায় আনা হয়েছে।