শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি Logo মহালছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর যাত্রা শুরু Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ Logo কাপ্তাই চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: প্রথম দিনেই ফরম নিলেন ১ প্রার্থী, চাঞ্চল্য ভোটারদের মাঝে Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক Logo কাপ্তাইয়ে চেকপোস্টে পুলিশের জালে ইয়াবাসহ আটক ১ Logo পানছড়িতে বৈধ ইজারাদারদের তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শঙ্কা Logo কাপ্তাইয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ চাকমা যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ Logo মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ স্লোগানে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা
পুরাতন গ্লানি ধুয়ে মুছে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ পাহাড়ি জনপদ

মৈত্রীর বারিবর্ষণে নতুন বছরকে বরণ বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উদ্‌যাপিত

পুরাতন গ্লানি ধুয়ে মুছে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ পাহাড়ি জনপদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব”

পাহাড়ি ঝরনার স্বচ্ছ জলের মতোই নির্মল আনন্দে মেতে উঠেছে বান্দরবানের সুয়ালক। মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ বরণ উৎসব ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ ১৩৮৮’ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সুয়ালক মাঝেরপাড়া মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয়েছে মৈত্রী পানি বর্ষণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জলকেলির সেই পবিত্র জলধারা যেন মুছে দিয়ে গেল গত বছরের সকল জরা আর গ্লানি, নিয়ে এলো নতুন দিনের শুভ বার্তা।

উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিল মারমা তরুণ-তরুণীদের একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠান— মৈত্রী পানি বর্ষণ’বা জলকেলি’। এটি কেবল একটি খেলা নয়, বরং মারমা সংস্কৃতিতে এটি সম্প্রীতি ও শুদ্ধতার প্রতীক। তরুণ-তরুণীরা সুসজ্জিত মঞ্চে দলগতভাবে একে অপরকে পবিত্র পানি দিয়ে স্নান করিয়ে নতুন বছরের মঙ্গল কামনা করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সা চিং প্রু জেরী, সংসদ সদস্য, বান্দরবান। থানজামা লুসাই, চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। মোঃ সানিউল ফেরদৌস, জেলা প্রশাসক, বান্দরবান।
মোঃ আবদুর রহমান, পুলিশ সুপার, বান্দরবান।

পার্বত্য জনপদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাংগ্রাইয়ের এই মৈত্রী পানি বর্ষণ আমাদের শেখায় কীভাবে ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে হয়।মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রতিমন্ত্রী।

বর্ণিল আয়োজন ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মারমা শিল্পীদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে তাদের নিজস্ব জীবনধারা ও ঐতিহ্যের নান্দনিক রূপ। এর পাশাপাশি আয়োজিত হয় বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খেলাধুলা, যা শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সকল বয়সীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। উৎসবে বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের সমাগম ঘটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি

পুরাতন গ্লানি ধুয়ে মুছে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ পাহাড়ি জনপদ

মৈত্রীর বারিবর্ষণে নতুন বছরকে বরণ বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উদ্‌যাপিত

প্রকাশিত: ০৩:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পুরাতন গ্লানি ধুয়ে মুছে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ পাহাড়ি জনপদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব”

পাহাড়ি ঝরনার স্বচ্ছ জলের মতোই নির্মল আনন্দে মেতে উঠেছে বান্দরবানের সুয়ালক। মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ বরণ উৎসব ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ ১৩৮৮’ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সুয়ালক মাঝেরপাড়া মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয়েছে মৈত্রী পানি বর্ষণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জলকেলির সেই পবিত্র জলধারা যেন মুছে দিয়ে গেল গত বছরের সকল জরা আর গ্লানি, নিয়ে এলো নতুন দিনের শুভ বার্তা।

উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিল মারমা তরুণ-তরুণীদের একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠান— মৈত্রী পানি বর্ষণ’বা জলকেলি’। এটি কেবল একটি খেলা নয়, বরং মারমা সংস্কৃতিতে এটি সম্প্রীতি ও শুদ্ধতার প্রতীক। তরুণ-তরুণীরা সুসজ্জিত মঞ্চে দলগতভাবে একে অপরকে পবিত্র পানি দিয়ে স্নান করিয়ে নতুন বছরের মঙ্গল কামনা করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সা চিং প্রু জেরী, সংসদ সদস্য, বান্দরবান। থানজামা লুসাই, চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। মোঃ সানিউল ফেরদৌস, জেলা প্রশাসক, বান্দরবান।
মোঃ আবদুর রহমান, পুলিশ সুপার, বান্দরবান।

পার্বত্য জনপদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাংগ্রাইয়ের এই মৈত্রী পানি বর্ষণ আমাদের শেখায় কীভাবে ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে হয়।মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রতিমন্ত্রী।

বর্ণিল আয়োজন ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মারমা শিল্পীদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে তাদের নিজস্ব জীবনধারা ও ঐতিহ্যের নান্দনিক রূপ। এর পাশাপাশি আয়োজিত হয় বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খেলাধুলা, যা শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সকল বয়সীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। উৎসবে বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের সমাগম ঘটে।