শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কাপ্তাইয়ে বরইছড়ি মুসলিম সমাজের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎ Logo রাঙামাটিতে ১৩তম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান—কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আলোচনা সভা Logo মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ
পুরাতন গ্লানি ধুয়ে মুছে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ পাহাড়ি জনপদ

মৈত্রীর বারিবর্ষণে নতুন বছরকে বরণ বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উদ্‌যাপিত

পুরাতন গ্লানি ধুয়ে মুছে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ পাহাড়ি জনপদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব”

পাহাড়ি ঝরনার স্বচ্ছ জলের মতোই নির্মল আনন্দে মেতে উঠেছে বান্দরবানের সুয়ালক। মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ বরণ উৎসব ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ ১৩৮৮’ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সুয়ালক মাঝেরপাড়া মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয়েছে মৈত্রী পানি বর্ষণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জলকেলির সেই পবিত্র জলধারা যেন মুছে দিয়ে গেল গত বছরের সকল জরা আর গ্লানি, নিয়ে এলো নতুন দিনের শুভ বার্তা।

উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিল মারমা তরুণ-তরুণীদের একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠান— মৈত্রী পানি বর্ষণ’বা জলকেলি’। এটি কেবল একটি খেলা নয়, বরং মারমা সংস্কৃতিতে এটি সম্প্রীতি ও শুদ্ধতার প্রতীক। তরুণ-তরুণীরা সুসজ্জিত মঞ্চে দলগতভাবে একে অপরকে পবিত্র পানি দিয়ে স্নান করিয়ে নতুন বছরের মঙ্গল কামনা করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সা চিং প্রু জেরী, সংসদ সদস্য, বান্দরবান। থানজামা লুসাই, চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। মোঃ সানিউল ফেরদৌস, জেলা প্রশাসক, বান্দরবান।
মোঃ আবদুর রহমান, পুলিশ সুপার, বান্দরবান।

পার্বত্য জনপদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাংগ্রাইয়ের এই মৈত্রী পানি বর্ষণ আমাদের শেখায় কীভাবে ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে হয়।মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রতিমন্ত্রী।

বর্ণিল আয়োজন ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মারমা শিল্পীদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে তাদের নিজস্ব জীবনধারা ও ঐতিহ্যের নান্দনিক রূপ। এর পাশাপাশি আয়োজিত হয় বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খেলাধুলা, যা শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সকল বয়সীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। উৎসবে বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের সমাগম ঘটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎

পুরাতন গ্লানি ধুয়ে মুছে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ পাহাড়ি জনপদ

মৈত্রীর বারিবর্ষণে নতুন বছরকে বরণ বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উদ্‌যাপিত

প্রকাশিত: ০৩:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পুরাতন গ্লানি ধুয়ে মুছে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ পাহাড়ি জনপদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব”

পাহাড়ি ঝরনার স্বচ্ছ জলের মতোই নির্মল আনন্দে মেতে উঠেছে বান্দরবানের সুয়ালক। মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ বরণ উৎসব ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ ১৩৮৮’ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সুয়ালক মাঝেরপাড়া মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয়েছে মৈত্রী পানি বর্ষণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জলকেলির সেই পবিত্র জলধারা যেন মুছে দিয়ে গেল গত বছরের সকল জরা আর গ্লানি, নিয়ে এলো নতুন দিনের শুভ বার্তা।

উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিল মারমা তরুণ-তরুণীদের একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠান— মৈত্রী পানি বর্ষণ’বা জলকেলি’। এটি কেবল একটি খেলা নয়, বরং মারমা সংস্কৃতিতে এটি সম্প্রীতি ও শুদ্ধতার প্রতীক। তরুণ-তরুণীরা সুসজ্জিত মঞ্চে দলগতভাবে একে অপরকে পবিত্র পানি দিয়ে স্নান করিয়ে নতুন বছরের মঙ্গল কামনা করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সা চিং প্রু জেরী, সংসদ সদস্য, বান্দরবান। থানজামা লুসাই, চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। মোঃ সানিউল ফেরদৌস, জেলা প্রশাসক, বান্দরবান।
মোঃ আবদুর রহমান, পুলিশ সুপার, বান্দরবান।

পার্বত্য জনপদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাংগ্রাইয়ের এই মৈত্রী পানি বর্ষণ আমাদের শেখায় কীভাবে ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে হয়।মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রতিমন্ত্রী।

বর্ণিল আয়োজন ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মারমা শিল্পীদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে তাদের নিজস্ব জীবনধারা ও ঐতিহ্যের নান্দনিক রূপ। এর পাশাপাশি আয়োজিত হয় বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খেলাধুলা, যা শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সকল বয়সীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। উৎসবে বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের সমাগম ঘটে।