শিরোনামঃ
Logo রাঙ্গামাটিতে এডিসি কলোনী মাদ্রাসার সামনে ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা Logo লংগদু-নানিয়ারচর সংযোগ সড়ক ১৩ কিলোমিটারের দুর্ভোগে জিম্মি দুই লাখ মানুষের ভাগ্য Logo বাঘাইছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে অলিম্পিক বার ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল সম্পন্ন Logo রামগড়ে আদর্শিক রাজনীতির ধ্রুবতারা সাইফুল ইসলাম ত্যাগ ও সাহসিকতার এক অনন্য উপাখ্যান Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের নেতৃত্বে বড় রদবদল রাঙামাটি জেলাসহ একাধিক কমিটি বিলুপ্ত, নতুন ঘোষণা Logo খাগড়াছড়িতে অসহায়দের মাঝে ছাগল বিতরণ করলেন পাজেপ সদস্য মাহবুব আলম Logo রক্তপাত ও চাঁদাবাজি বন্ধের ডাক পাহাড়ে শান্তির নতুন রোডম্যাপ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট Logo পাহাড়ে থামছে না রক্তের হোলি কুতুকছড়িতে ইউপিডিএফ নেতাকে গুলি করে হত্যা Logo সীমান্তে সেবার হাত বাইশফাঁড়িতে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা ও উপহার প্রদান Logo লংগদু মডেল মসজিদে নির্মাণকাজে শুভঙ্করের ফাঁকি খসে পড়ছে পলেস্তারা, আতঙ্কে এলাকাবাসী
অস্ত্র ছেড়ে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সশস্ত্র সংঘাত ও আধিপত্য বিস্তার।

রক্তপাত ও চাঁদাবাজি বন্ধের ডাক পাহাড়ে শান্তির নতুন রোডম্যাপ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে এক জোরালো আহ্বান জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা এক বিবৃতিতে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে অস্ত্রধারী রাজনীতি, চাঁদাবাজি, গুম, অপহরণ ও খুনের মতো মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বৈচিত্র্যময় এই জনপদে সাধারণ মানুষ এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পাইশিখই মারমা স্পষ্ট জানিয়েছেন, অস্ত্রের মাধ্যমে কখনোই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আধিপত্য বিস্তারের লড়াই কেবল সাধারণ মানুষের দুর্ভোগই বাড়াচ্ছে।

পাহাড়ের কৃষক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী—সবাই আজ সশস্ত্র চাঁদাবাজির শিকার। এর ফলে থমকে আছে বিনিয়োগ ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নয়ন।মানবাধিকার লঙ্ঘন গুম, খুন ও অপহরণের মতো ঘটনাগুলোকে ‘সভ্য সমাজের অন্তরায়’ হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে।সংঘাত ছেড়ে সংলাপ ও আইনানুগ পদ্ধতিতে দাবি আদায়ের পথে ফেরার জন্য আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে মারমা ঐতিহ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম কেবল কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নয়, এটি সবার। বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী প্রজন্ম এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হবে।পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের সবার। এই অঞ্চলকে রক্ষা করা এবং সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন, সহিংসতার বিরুদ্ধে এক হই। পাইশিখই মারমা (মুখপাত্র, সিএইচটি সম্প্রীতি জোট)

বিবৃতির শেষে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পাহাড়ের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুশীল সমাজকে এই সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে এডিসি কলোনী মাদ্রাসার সামনে ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

অস্ত্র ছেড়ে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সশস্ত্র সংঘাত ও আধিপত্য বিস্তার।

রক্তপাত ও চাঁদাবাজি বন্ধের ডাক পাহাড়ে শান্তির নতুন রোডম্যাপ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

প্রকাশিত: ০৮:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে এক জোরালো আহ্বান জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা এক বিবৃতিতে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে অস্ত্রধারী রাজনীতি, চাঁদাবাজি, গুম, অপহরণ ও খুনের মতো মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বৈচিত্র্যময় এই জনপদে সাধারণ মানুষ এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পাইশিখই মারমা স্পষ্ট জানিয়েছেন, অস্ত্রের মাধ্যমে কখনোই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আধিপত্য বিস্তারের লড়াই কেবল সাধারণ মানুষের দুর্ভোগই বাড়াচ্ছে।

পাহাড়ের কৃষক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী—সবাই আজ সশস্ত্র চাঁদাবাজির শিকার। এর ফলে থমকে আছে বিনিয়োগ ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নয়ন।মানবাধিকার লঙ্ঘন গুম, খুন ও অপহরণের মতো ঘটনাগুলোকে ‘সভ্য সমাজের অন্তরায়’ হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে।সংঘাত ছেড়ে সংলাপ ও আইনানুগ পদ্ধতিতে দাবি আদায়ের পথে ফেরার জন্য আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে মারমা ঐতিহ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম কেবল কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নয়, এটি সবার। বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী প্রজন্ম এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হবে।পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের সবার। এই অঞ্চলকে রক্ষা করা এবং সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন, সহিংসতার বিরুদ্ধে এক হই। পাইশিখই মারমা (মুখপাত্র, সিএইচটি সম্প্রীতি জোট)

বিবৃতির শেষে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পাহাড়ের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুশীল সমাজকে এই সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।