শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কাপ্তাইয়ে বরইছড়ি মুসলিম সমাজের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎ Logo রাঙামাটিতে ১৩তম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান—কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আলোচনা সভা Logo মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ
অস্ত্র ছেড়ে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সশস্ত্র সংঘাত ও আধিপত্য বিস্তার।

রক্তপাত ও চাঁদাবাজি বন্ধের ডাক পাহাড়ে শান্তির নতুন রোডম্যাপ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে এক জোরালো আহ্বান জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা এক বিবৃতিতে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে অস্ত্রধারী রাজনীতি, চাঁদাবাজি, গুম, অপহরণ ও খুনের মতো মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বৈচিত্র্যময় এই জনপদে সাধারণ মানুষ এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পাইশিখই মারমা স্পষ্ট জানিয়েছেন, অস্ত্রের মাধ্যমে কখনোই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আধিপত্য বিস্তারের লড়াই কেবল সাধারণ মানুষের দুর্ভোগই বাড়াচ্ছে।

পাহাড়ের কৃষক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী—সবাই আজ সশস্ত্র চাঁদাবাজির শিকার। এর ফলে থমকে আছে বিনিয়োগ ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নয়ন।মানবাধিকার লঙ্ঘন গুম, খুন ও অপহরণের মতো ঘটনাগুলোকে ‘সভ্য সমাজের অন্তরায়’ হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে।সংঘাত ছেড়ে সংলাপ ও আইনানুগ পদ্ধতিতে দাবি আদায়ের পথে ফেরার জন্য আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে মারমা ঐতিহ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম কেবল কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নয়, এটি সবার। বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী প্রজন্ম এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হবে।পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের সবার। এই অঞ্চলকে রক্ষা করা এবং সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন, সহিংসতার বিরুদ্ধে এক হই। পাইশিখই মারমা (মুখপাত্র, সিএইচটি সম্প্রীতি জোট)

বিবৃতির শেষে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পাহাড়ের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুশীল সমাজকে এই সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎

অস্ত্র ছেড়ে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সশস্ত্র সংঘাত ও আধিপত্য বিস্তার।

রক্তপাত ও চাঁদাবাজি বন্ধের ডাক পাহাড়ে শান্তির নতুন রোডম্যাপ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

প্রকাশিত: ০৮:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে এক জোরালো আহ্বান জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা এক বিবৃতিতে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে অস্ত্রধারী রাজনীতি, চাঁদাবাজি, গুম, অপহরণ ও খুনের মতো মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বৈচিত্র্যময় এই জনপদে সাধারণ মানুষ এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পাইশিখই মারমা স্পষ্ট জানিয়েছেন, অস্ত্রের মাধ্যমে কখনোই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আধিপত্য বিস্তারের লড়াই কেবল সাধারণ মানুষের দুর্ভোগই বাড়াচ্ছে।

পাহাড়ের কৃষক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী—সবাই আজ সশস্ত্র চাঁদাবাজির শিকার। এর ফলে থমকে আছে বিনিয়োগ ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নয়ন।মানবাধিকার লঙ্ঘন গুম, খুন ও অপহরণের মতো ঘটনাগুলোকে ‘সভ্য সমাজের অন্তরায়’ হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে।সংঘাত ছেড়ে সংলাপ ও আইনানুগ পদ্ধতিতে দাবি আদায়ের পথে ফেরার জন্য আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে মারমা ঐতিহ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম কেবল কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নয়, এটি সবার। বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী প্রজন্ম এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হবে।পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের সবার। এই অঞ্চলকে রক্ষা করা এবং সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন, সহিংসতার বিরুদ্ধে এক হই। পাইশিখই মারমা (মুখপাত্র, সিএইচটি সম্প্রীতি জোট)

বিবৃতির শেষে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পাহাড়ের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুশীল সমাজকে এই সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।