রাজনীতি যখন অনেকের কাছেই ক্ষমতার সিঁড়ি কিংবা ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার, ঠিক তখনই রামগড় উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ব্যতিক্রমী ও উজ্জ্বল নাম মো. সাইফুল ইসলাম। ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী দুঃসময় থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত—যিনি প্রতিকূলতার মুখেও আদর্শের পতাকা হাতছাড়া করেননি।
বর্তমানে রামগড় উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা সাইফুল ইসলাম কেবল নামেই নেতা নন, বরং মাঠের লড়াইয়ের এক নির্ভীক সৈনিক। ৫ই আগস্টের পট পরিবর্তনের আগে, যখন রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল চরম সংকটময়, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে তিনি নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছিলেন।
ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী চরম অনিশ্চয়তার মাঝেও রাজপথ ছাড়েননি তিনি।পাহাড়ের জননেতা ওয়াদুদ ভূঁইয়ার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি পর্যন্ত তার সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।তৎকালীন সময়ের বাধা, চেকপোস্ট কিংবা রাজনৈতিক মামলা-হামলা কোনো কিছুই তাকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মতে, সাইফুল ইসলামের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত স্বচ্ছ ইমেজ। পদের মোহ তাকে কখনো গ্রাস করেনি; বরং দলের প্রয়োজনে জনমত গঠনে তিনি কাজ করেছেন নিঃস্বার্থভাবে। রামগড়ের তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের কাছে তিনি আজ এক বড় অনুপ্রেরণার উৎস।
রাজনীতির মাঠ যখন সুসময়ের বন্ধুতে ভরে যায়, তখন সাইফুল ইসলামের মতো ত্যাগী ও আদর্শবান নেতাদের মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। রামগড়ের সাধারণ মানুষের ভালোবাসা আর দোয়া সাথে নিয়ে আগামীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও তিনি সামনের সারিতে থাকবেন—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় জনমানুষের।
নিজস্ব প্রতিবেদক,রামগড় 

















