শিরোনামঃ
Logo কেংড়াছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়: রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ সদস্য Logo পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বার্তা: রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত Logo রাঙামাটি বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপিত: নতুন প্রজন্মকে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি
৬৭ শতাংশ উপজাতীয় বনাম ৩৩ শতাংশ বাঙালি; নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে সরব কোটা বিরোধী ঐক্যজোট

নিয়োগে ‘বৈষম্যের’ পাহাড় রাঙ্গামাটিতে ডিসি বললেন ‘কিছুই জানি না’ বিভাগীয় কমিশনারের আপ্যায়নেই কাটল সময়

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অধীনে সাম্প্রতিক একটি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে চরম বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িক ভারসাম্যহীনতার অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিসংখ্যানে বিশাল ব্যবধান এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ‘অজ্ঞতা’ জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

কোটা বিরোধী ঐক্যজোট, রাঙ্গামাটির সংগৃহীত তথ্য মতে, সাম্প্রতিক এই নিয়োগে প্রায় ৬৭ শতাংশ উপজাতীয় এবং মাত্র ৩৩ শতাংশ বাঙালি প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই পরিসংখ্যান সরাসরি বৈষম্যের প্রতিফলন এবং এতে যোগ্য অনেক প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন।

ঘটনার নাটকীয় মোড় নেয় যখন ঐক্যজোটের প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে ব্যাখ্যা চান। জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উভয়ই দাবি করেন যে, এই নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই তাদের জানা নেই।

নিয়োগের তথ্য সম্পর্কে যখন প্রশ্ন করা হয়, জেলা প্রশাসক জানান তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি নিয়োগে কোনো কোটা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা তিনি নিজের সিএ-র কাছে জানতে চান। যা একটি জেলার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত।— কোটা বিরোধী ঐক্যজোট

ঐক্যজোটের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে, নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন যে— তাদের মূল দায়িত্ব ছিল বিভাগীয় কমিশনারের আপ্যায়ন ও দেখাশোনা করা। একজন জেলা প্রশাসকের এমন বক্তব্যকে অপেশাদার এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অভিহিত করেছে সংগঠনটি।

ঐক্যজোটের ৪ দফা দাবি-নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।বৈষম্যের অভিযোগ নিরসনে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।প্রয়োজনে বিতর্কিত এই নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।ভবিষ্যতে স্বচ্ছ ও কোটামুক্ত নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, প্রশাসনের এই স্বচ্ছতাহীনতা এবং জবাবদিহিতার অভাব পাহাড়ে সামাজিক বিভাজন ও আস্থাহীনতা আরও বাড়িয়ে তুলবে। অনতিবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কেংড়াছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়: রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ সদস্য

৬৭ শতাংশ উপজাতীয় বনাম ৩৩ শতাংশ বাঙালি; নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে সরব কোটা বিরোধী ঐক্যজোট

নিয়োগে ‘বৈষম্যের’ পাহাড় রাঙ্গামাটিতে ডিসি বললেন ‘কিছুই জানি না’ বিভাগীয় কমিশনারের আপ্যায়নেই কাটল সময়

প্রকাশিত: ০৫:৪৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অধীনে সাম্প্রতিক একটি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে চরম বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িক ভারসাম্যহীনতার অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিসংখ্যানে বিশাল ব্যবধান এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ‘অজ্ঞতা’ জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

কোটা বিরোধী ঐক্যজোট, রাঙ্গামাটির সংগৃহীত তথ্য মতে, সাম্প্রতিক এই নিয়োগে প্রায় ৬৭ শতাংশ উপজাতীয় এবং মাত্র ৩৩ শতাংশ বাঙালি প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই পরিসংখ্যান সরাসরি বৈষম্যের প্রতিফলন এবং এতে যোগ্য অনেক প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন।

ঘটনার নাটকীয় মোড় নেয় যখন ঐক্যজোটের প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে ব্যাখ্যা চান। জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উভয়ই দাবি করেন যে, এই নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই তাদের জানা নেই।

নিয়োগের তথ্য সম্পর্কে যখন প্রশ্ন করা হয়, জেলা প্রশাসক জানান তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি নিয়োগে কোনো কোটা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা তিনি নিজের সিএ-র কাছে জানতে চান। যা একটি জেলার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত।— কোটা বিরোধী ঐক্যজোট

ঐক্যজোটের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে, নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন যে— তাদের মূল দায়িত্ব ছিল বিভাগীয় কমিশনারের আপ্যায়ন ও দেখাশোনা করা। একজন জেলা প্রশাসকের এমন বক্তব্যকে অপেশাদার এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অভিহিত করেছে সংগঠনটি।

ঐক্যজোটের ৪ দফা দাবি-নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।বৈষম্যের অভিযোগ নিরসনে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।প্রয়োজনে বিতর্কিত এই নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।ভবিষ্যতে স্বচ্ছ ও কোটামুক্ত নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, প্রশাসনের এই স্বচ্ছতাহীনতা এবং জবাবদিহিতার অভাব পাহাড়ে সামাজিক বিভাজন ও আস্থাহীনতা আরও বাড়িয়ে তুলবে। অনতিবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হতে পারে।