শিরোনামঃ
Logo জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর বড় অ্যাকশন: ৯০ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ Logo বাঘাইছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলন: দুই ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা Logo বরকলে নিজ ঘরে গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার: গরু বিক্রির ৩ লাখ টাকা লুট, সন্দেহের তীর দুই পরিচিতের দিকে Logo পাহাড় সাজবে সবুজে: মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর আড়াই লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মহতি উদ্যোগ Logo খাগড়াছড়ির দূর্গম পাহাড়ি পাড়ায় দীঘিনালা জোনের উপহার: স্বস্তির নিঃশ্বাস ১০৫ পরিবারে Logo মানিকছড়ির মহামুনি টিলায় সেনা ও ওষুধ কোম্পানির গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২ Logo কক্সবাজার থেকে মুসলিম তরুণীসহ ইসকন সদস্য রাঙামাটিতে: ওলামাদের থানা ঘেরাও ও তীব্র প্রতিবাদ Logo পাহাড়ের নারীদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ: দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সেলাই প্রশিক্ষণ Logo ২২ মামলার পলাতক সজলসহ ৯ জন গ্রেফতার, রাঙামাটিতে তোলপাড় Logo উন্নয়ন কাজে আনসার ব্যাটালিয়নের বাধা খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়ক অবরোধ করে গচ্ছাবিলবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
মেজর মুশফাকের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান; সেনাটহল দেখে পাচারকারীরা পলাতক

জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর বড় অ্যাকশন: ৯০ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশ ধ্বংসকারী অবৈধ কাঠ পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি জোনের একটি বিশেষ অভিযানে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা আনুমানিক ৯০ লক্ষ টাকা বাজারমূল্যের বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) জুরাছড়ি জোনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুরাছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মুশফাক আমিন চৌধুরী, পিএসসি এবং ক্যাপ্টেন মোঃ শাহরিয়ার পারভেজের নেতৃত্বে সেনাসদস্যদের একটি চৌকস টহল দল পাহাড়ি অঞ্চলের নির্দিষ্ট এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে দুর্গম পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে পাচারের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ কাঠের সন্ধান মেলে। পরে সেনাসদস্যরা পুরো এলাকাটি কর্ডন (ঘিরে রাখা) করে তল্লাশি চালিয়ে এই বিশাল কাঠের চালান উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

তবে সেনাবাহিনীর আকস্মিক উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাচারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত কাঠ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

অবৈধভাবে বনজ সম্পদ আহরণ ও পাচার দেশের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনীর এই ধরনের চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সেনাবাহিনীর এই সফল অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল। একই সাথে দেশের ফুসফুস খ্যাত পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে জুরাছড়ি জোন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর বড় অ্যাকশন: ৯০ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ

মেজর মুশফাকের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান; সেনাটহল দেখে পাচারকারীরা পলাতক

জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর বড় অ্যাকশন: ৯০ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ

প্রকাশিত: ০১:০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশ ধ্বংসকারী অবৈধ কাঠ পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি জোনের একটি বিশেষ অভিযানে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা আনুমানিক ৯০ লক্ষ টাকা বাজারমূল্যের বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) জুরাছড়ি জোনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুরাছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মুশফাক আমিন চৌধুরী, পিএসসি এবং ক্যাপ্টেন মোঃ শাহরিয়ার পারভেজের নেতৃত্বে সেনাসদস্যদের একটি চৌকস টহল দল পাহাড়ি অঞ্চলের নির্দিষ্ট এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে দুর্গম পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে পাচারের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ কাঠের সন্ধান মেলে। পরে সেনাসদস্যরা পুরো এলাকাটি কর্ডন (ঘিরে রাখা) করে তল্লাশি চালিয়ে এই বিশাল কাঠের চালান উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

তবে সেনাবাহিনীর আকস্মিক উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাচারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত কাঠ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

অবৈধভাবে বনজ সম্পদ আহরণ ও পাচার দেশের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনীর এই ধরনের চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সেনাবাহিনীর এই সফল অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল। একই সাথে দেশের ফুসফুস খ্যাত পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে জুরাছড়ি জোন।