শিরোনামঃ
Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর Logo কাউখালীতে পুলিশের চড়াও অভিযান: জিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ আসামি গ্রেপ্তার
পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা

সংবিধান লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তথাকথিত পশ্চিমা বিশ্ব থেকে চাপিয়ে দেওয়া ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। সংবিধানের মূল চেতনাবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব। জোটের মতে, একটি নির্দিষ্ট মহল পরিকল্পিতভাবে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর পরিচয়কে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে উল্লিখিত প্রধান পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: সংগঠনটি মনে করে, ‘আদিবাসী’ শব্দচয়ন কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় দর্শনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকই ‘বাংলাদেশি’ এবং সমমর্যাদার অধিকারী। আন্তর্জাতিক কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দেশে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষ্যে এই শব্দটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছে জোট।পার্বত্য অঞ্চলের মারমা, চাকমা, ত্রিপুরাসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব। তবে এই স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা জাতীয় সংহতির জন্য হুমকিস্বরূপ।পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমান শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিভাজনমূলক ভাষা ও পরিচয়ের রাজনীতি পাহাড়ের মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের পরিচয় বাংলাদেশি নাগরিকত্বের মধ্যেই নিরাপদ। বিবৃতিতে সরকার, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি স্পষ্ট বার্তায় জানায়, বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি সম্ভব।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো

পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা

সংবিধান লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

প্রকাশিত: ১২:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তথাকথিত পশ্চিমা বিশ্ব থেকে চাপিয়ে দেওয়া ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। সংবিধানের মূল চেতনাবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব। জোটের মতে, একটি নির্দিষ্ট মহল পরিকল্পিতভাবে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর পরিচয়কে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে উল্লিখিত প্রধান পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: সংগঠনটি মনে করে, ‘আদিবাসী’ শব্দচয়ন কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় দর্শনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকই ‘বাংলাদেশি’ এবং সমমর্যাদার অধিকারী। আন্তর্জাতিক কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দেশে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষ্যে এই শব্দটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছে জোট।পার্বত্য অঞ্চলের মারমা, চাকমা, ত্রিপুরাসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব। তবে এই স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা জাতীয় সংহতির জন্য হুমকিস্বরূপ।পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমান শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিভাজনমূলক ভাষা ও পরিচয়ের রাজনীতি পাহাড়ের মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের পরিচয় বাংলাদেশি নাগরিকত্বের মধ্যেই নিরাপদ। বিবৃতিতে সরকার, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি স্পষ্ট বার্তায় জানায়, বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি সম্ভব।