শিরোনামঃ
Logo ‎লংগদু স্টুডেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ সদস্য তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo গুইমারায় সেনাসম্প্রীতি: সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৪৫০ রোগী Logo কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের ৮ দফা দাবি: রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান Logo মানিকছড়িতে দাম্পত্য কলহের জের ধরে বিষপানে স্বামীর মৃত্যু ‎ Logo মানিকছড়িতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন: ডিজিটাল লেনদেনে নতুন দিগন্ত Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা

সংবিধান লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তথাকথিত পশ্চিমা বিশ্ব থেকে চাপিয়ে দেওয়া ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। সংবিধানের মূল চেতনাবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব। জোটের মতে, একটি নির্দিষ্ট মহল পরিকল্পিতভাবে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর পরিচয়কে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে উল্লিখিত প্রধান পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: সংগঠনটি মনে করে, ‘আদিবাসী’ শব্দচয়ন কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় দর্শনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকই ‘বাংলাদেশি’ এবং সমমর্যাদার অধিকারী। আন্তর্জাতিক কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দেশে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষ্যে এই শব্দটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছে জোট।পার্বত্য অঞ্চলের মারমা, চাকমা, ত্রিপুরাসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব। তবে এই স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা জাতীয় সংহতির জন্য হুমকিস্বরূপ।পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমান শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিভাজনমূলক ভাষা ও পরিচয়ের রাজনীতি পাহাড়ের মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের পরিচয় বাংলাদেশি নাগরিকত্বের মধ্যেই নিরাপদ। বিবৃতিতে সরকার, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি স্পষ্ট বার্তায় জানায়, বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি সম্ভব।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

‎লংগদু স্টুডেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ সদস্য তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা

সংবিধান লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

প্রকাশিত: ১২:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তথাকথিত পশ্চিমা বিশ্ব থেকে চাপিয়ে দেওয়া ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। সংবিধানের মূল চেতনাবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব। জোটের মতে, একটি নির্দিষ্ট মহল পরিকল্পিতভাবে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর পরিচয়কে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে উল্লিখিত প্রধান পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: সংগঠনটি মনে করে, ‘আদিবাসী’ শব্দচয়ন কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় দর্শনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকই ‘বাংলাদেশি’ এবং সমমর্যাদার অধিকারী। আন্তর্জাতিক কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দেশে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষ্যে এই শব্দটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছে জোট।পার্বত্য অঞ্চলের মারমা, চাকমা, ত্রিপুরাসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের গর্ব। তবে এই স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা জাতীয় সংহতির জন্য হুমকিস্বরূপ।পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমান শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিভাজনমূলক ভাষা ও পরিচয়ের রাজনীতি পাহাড়ের মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের পরিচয় বাংলাদেশি নাগরিকত্বের মধ্যেই নিরাপদ। বিবৃতিতে সরকার, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি স্পষ্ট বার্তায় জানায়, বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি সম্ভব।