শিরোনামঃ
Logo মাইসছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈসাবি মেলা সম্পন্ন সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার বার্তা জোন অধিনায়কের Logo রাঙামাটিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo রামগড়ে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পুড়ে ছাই আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র Logo রাঙ্গামাটিতে এডিসি কলোনী মাদ্রাসার সামনে ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা Logo লংগদু-নানিয়ারচর সংযোগ সড়ক ১৩ কিলোমিটারের দুর্ভোগে জিম্মি দুই লাখ মানুষের ভাগ্য Logo বাঘাইছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে অলিম্পিক বার ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল সম্পন্ন Logo রামগড়ে আদর্শিক রাজনীতির ধ্রুবতারা সাইফুল ইসলাম ত্যাগ ও সাহসিকতার এক অনন্য উপাখ্যান Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের নেতৃত্বে বড় রদবদল রাঙামাটি জেলাসহ একাধিক কমিটি বিলুপ্ত, নতুন ঘোষণা Logo খাগড়াছড়িতে অসহায়দের মাঝে ছাগল বিতরণ করলেন পাজেপ সদস্য মাহবুব আলম Logo রক্তপাত ও চাঁদাবাজি বন্ধের ডাক পাহাড়ে শান্তির নতুন রোডম্যাপ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

রাঙামাটিতে কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন

কোটা বিরোধী ঐক্যজোট, রাঙামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে চার দফা দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ৪টায় রাঙামাটি শহরের বনরূপা এলাকার আয়োজন রেস্তোরাঁয় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মো. জনি, সদস্য সচিব মো. নুরুল আলমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

লিখিত বক্তব্যে নেতারা বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কোটা বৈষম্য, অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সকল দল-মতের মানুষ একত্রিত হয়ে ‘কোটা বিরোধী ঐক্যজোট’ গঠন করেন। বৈষম্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় আলোচনা, প্রতিবাদ মিছিল, ঘেরাও ও হরতালসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। আন্দোলনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল এবং আন্দোলন সফলও হয় বলে দাবি করেন নেতারা। তবে জাতীয় নির্বাচনসহ নানা কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

১. পার্বত্য জেলা পরিষদে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিষদ গঠন নিশ্চিত করা।
২. শিক্ষক নিয়োগসহ শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।
৩. সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও বরাদ্দ ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা।

৪. সকল জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা।নেতারা বলেন,১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী,পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন

দেওয়ান ও প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালসহ সংশ্লিষ্টদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে সরকারের ইতিবাচক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বক্তব্যে তারা আশাবাদী।

তারা আরও বলেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জেলা পরিষদ গঠন করা হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। একই ভোটার তালিকায় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আপত্তির যৌক্তিকতা নেই। অতীতে মনোনয়ন বা সিলেকশনের মাধ্যমে পরিষদ গঠনের ফলে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে নেতারা বলেন, তাদের ছয় দফা দাবিকে বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এক পর্যায়ে যৌক্তিক হিসেবে স্বীকার করেছেন। তাই আগামী নিয়োগ কার্যক্রমে এসব দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা। অন্যথায় জনঅসন্তোষ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্ক করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,তারা একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চান এবং এ লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত আছেন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মাইসছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈসাবি মেলা সম্পন্ন সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার বার্তা জোন অধিনায়কের

রাঙামাটিতে কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ০৩:৪২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কোটা বিরোধী ঐক্যজোট, রাঙামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে চার দফা দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ৪টায় রাঙামাটি শহরের বনরূপা এলাকার আয়োজন রেস্তোরাঁয় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মো. জনি, সদস্য সচিব মো. নুরুল আলমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

লিখিত বক্তব্যে নেতারা বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কোটা বৈষম্য, অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সকল দল-মতের মানুষ একত্রিত হয়ে ‘কোটা বিরোধী ঐক্যজোট’ গঠন করেন। বৈষম্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় আলোচনা, প্রতিবাদ মিছিল, ঘেরাও ও হরতালসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। আন্দোলনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল এবং আন্দোলন সফলও হয় বলে দাবি করেন নেতারা। তবে জাতীয় নির্বাচনসহ নানা কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

১. পার্বত্য জেলা পরিষদে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিষদ গঠন নিশ্চিত করা।
২. শিক্ষক নিয়োগসহ শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।
৩. সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও বরাদ্দ ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা।

৪. সকল জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা।নেতারা বলেন,১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী,পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন

দেওয়ান ও প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালসহ সংশ্লিষ্টদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে সরকারের ইতিবাচক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বক্তব্যে তারা আশাবাদী।

তারা আরও বলেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জেলা পরিষদ গঠন করা হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। একই ভোটার তালিকায় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আপত্তির যৌক্তিকতা নেই। অতীতে মনোনয়ন বা সিলেকশনের মাধ্যমে পরিষদ গঠনের ফলে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে নেতারা বলেন, তাদের ছয় দফা দাবিকে বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এক পর্যায়ে যৌক্তিক হিসেবে স্বীকার করেছেন। তাই আগামী নিয়োগ কার্যক্রমে এসব দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা। অন্যথায় জনঅসন্তোষ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্ক করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,তারা একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চান এবং এ লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত আছেন।