শিরোনামঃ
Logo দেবিদ্বারে চাকুরিচ্যুত সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে মানববন্ধন Logo দেবিদ্বারে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার Logo ৫৫ লাখ পরিবারে স্বস্তি ১৫ টাকা কেজি দরে চাল দিচ্ছে সরকার Logo পদোন্নতি শুধু মর্যাদা নয়, এটি দায়িত্বের প্রতীক-রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার Logo রাঙামাটিতে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার নতুন দিগন্ত জেনারেল হাসপাতালে অপারেশন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন Logo রাঙামাটি সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন এডহক কমিটি নেতৃত্বে মাঠের সংগঠকরা, জাগছে পাহাড়ের ক্রীড়াঙ্গন Logo রাঙ্গামাটিতে কোতোয়ালী পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান একাধিক মামলার আসামিসহ গ্রেফতার ৩ Logo খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘অবৈধ’ কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তি না হওয়ার আহ্বান: লোকমান-মাসুম কমিটিই বৈধ Logo সাংস্কৃতিক জাগরণে লক্ষ্মীছড়ি জোন-সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম উপহার Logo মানবসেবার অঙ্গীকারে রাঙামাটিতে যুব রেড ক্রিসেন্টের মাসিক সভা সম্পন্ন
সীমান্তে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি পাচারকারীদের শনাক্তে ছোটফরিংগা এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি

রামগড়ে ৪৩ বিজিবির ব্লক রেইড-ধাওয়া খেয়ে বস্তা ফেলে পালালো চোরাকারবারীরা, বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার

 

খাগড়াছড়ির রামগড় ও চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক ঝটিকা অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ছোটফরিংগা সীমান্ত এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মালামাল ফেলে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যাওয়ায় কোনো চোরাকারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বড় ধরনের মাদকের চালান প্রবেশের খবর পায় বিজিবি। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছোটফরিংগা বিওপির একটি চৌকস দল সীমান্ত পিলার ২২০৩/২-আরবি থেকে প্রায় ১০০ গজ ভেতরে ‘তালতলা’ নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়।

কিছুক্ষণ পর ভারত থেকে তিন চোরাকারবারীকে বস্তা কাঁধে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির ধাওয়া খেয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে তিনটি বড় প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে দ্রুত ঘন জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তাগুলো তল্লাশি করে ১৫টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম (পিএসসি) জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বর্তমানে বিজিবি সদর দপ্তরে জমা রাখা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “সীমান্ত দিয়ে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে আমরা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছি। মাদক পাচার ও মানবপাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে অবিচল রয়েছে। সীমান্ত এলাকাকে নিরাপদ রাখতে আমাদের এই অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।” মাদক ও চোরাচালান দমনে স্থানীয় সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবিদ্বারে চাকুরিচ্যুত সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

সীমান্তে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি পাচারকারীদের শনাক্তে ছোটফরিংগা এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি

রামগড়ে ৪৩ বিজিবির ব্লক রেইড-ধাওয়া খেয়ে বস্তা ফেলে পালালো চোরাকারবারীরা, বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার

প্রকাশিত: ০৩:০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

 

খাগড়াছড়ির রামগড় ও চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক ঝটিকা অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ছোটফরিংগা সীমান্ত এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মালামাল ফেলে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যাওয়ায় কোনো চোরাকারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বড় ধরনের মাদকের চালান প্রবেশের খবর পায় বিজিবি। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছোটফরিংগা বিওপির একটি চৌকস দল সীমান্ত পিলার ২২০৩/২-আরবি থেকে প্রায় ১০০ গজ ভেতরে ‘তালতলা’ নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়।

কিছুক্ষণ পর ভারত থেকে তিন চোরাকারবারীকে বস্তা কাঁধে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির ধাওয়া খেয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে তিনটি বড় প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে দ্রুত ঘন জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তাগুলো তল্লাশি করে ১৫টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম (পিএসসি) জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বর্তমানে বিজিবি সদর দপ্তরে জমা রাখা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “সীমান্ত দিয়ে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে আমরা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছি। মাদক পাচার ও মানবপাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে অবিচল রয়েছে। সীমান্ত এলাকাকে নিরাপদ রাখতে আমাদের এই অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।” মাদক ও চোরাচালান দমনে স্থানীয় সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।