শিরোনামঃ
Logo খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘পকেট কমিটি’ প্রত্যাখান লোকমান-মাসুম পরিষদই বৈধ Logo মানিকছড়িতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য: থ্রি স্টার ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo পরিবার মানেনি ভালোবাসা, রাঙামাটিতে পাহাড়ের দুই চাকমা তরুণ-তরুণীর যুগল আত্মহত্যা Logo নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মিজানুর উদ্ধার রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী পুলিশের সাফল্য Logo নিখোঁজের ১১ দিন পর প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তান উদ্ধার পুলিশের বড় সাফল্য Logo রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo রাঙ্গামাটিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান’ নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ Logo সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার মহালছড়িতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত Logo রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তেল কারবারি গ্রেফতার বিপুল পরিমাণ ডিজেল জব্দ Logo শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্যের আহ্বানে পাহাড়ে বৈসাবি সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের শুভেচ্ছা
বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান কাজী মজিবরের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্ট’ কায়দায় দল চালানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের

খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘পকেট কমিটি’ প্রত্যাখান লোকমান-মাসুম পরিষদই বৈধ

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) খাগড়াছড়ি জেলা শাখায় নবগঠিত কথিত আহ্বায়ক কমিটিকে অবৈধ ও অসাংগঠনিক ঘোষণা করেছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার লোকমান হোসাইন, এস এম মাসুম রানা ও মো. মোকতাদের হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটিই বর্তমানে জেলার একমাত্র বৈধ কমিটি বলে জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে পিসিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামান মনির ও মহাসচিব মো. আলমগীর কবির এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জানান, গত ২৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভার কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে বিপুল ব্যবধানে বর্তমান জেলা কমিটি নির্বাচিত হয়। যা সংগঠনের ইতিহাসে একমাত্র গণতান্ত্রিক নজির। অথচ পিসিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে স্বৈরাচারী কায়দায় এই নির্বাচিত কমিটি বাতিল দেখিয়ে একটি ‘পকেট কমিটি’ ঘোষণা করেছেন।

কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি, নির্বাচনে সভাপতি পদে পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মজিদকে অনৈতিক সুবিধা দিতেই এই অবৈধ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিবৃতিতে আব্দুল মজিদকে সাবেক আওয়ামী মন্ত্রী কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ‘অপকর্মের সহযোগী’ এবং ‘ধান্দাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। মূলত নিজেদের পিঠ বাঁচাতে এবং ঠিকাদারিসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে এই স্বঘোষিত কমিটি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছে যে, স্থায়ী কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই কাজী মজিবুর রহমান এককভাবে এই ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘পকেট কমিটি’ প্রত্যাখান লোকমান-মাসুম পরিষদই বৈধ

বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান কাজী মজিবরের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্ট’ কায়দায় দল চালানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের

খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘পকেট কমিটি’ প্রত্যাখান লোকমান-মাসুম পরিষদই বৈধ

প্রকাশিত: ০৫:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) খাগড়াছড়ি জেলা শাখায় নবগঠিত কথিত আহ্বায়ক কমিটিকে অবৈধ ও অসাংগঠনিক ঘোষণা করেছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার লোকমান হোসাইন, এস এম মাসুম রানা ও মো. মোকতাদের হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটিই বর্তমানে জেলার একমাত্র বৈধ কমিটি বলে জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে পিসিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামান মনির ও মহাসচিব মো. আলমগীর কবির এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জানান, গত ২৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভার কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে বিপুল ব্যবধানে বর্তমান জেলা কমিটি নির্বাচিত হয়। যা সংগঠনের ইতিহাসে একমাত্র গণতান্ত্রিক নজির। অথচ পিসিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে স্বৈরাচারী কায়দায় এই নির্বাচিত কমিটি বাতিল দেখিয়ে একটি ‘পকেট কমিটি’ ঘোষণা করেছেন।

কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি, নির্বাচনে সভাপতি পদে পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মজিদকে অনৈতিক সুবিধা দিতেই এই অবৈধ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিবৃতিতে আব্দুল মজিদকে সাবেক আওয়ামী মন্ত্রী কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ‘অপকর্মের সহযোগী’ এবং ‘ধান্দাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। মূলত নিজেদের পিঠ বাঁচাতে এবং ঠিকাদারিসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে এই স্বঘোষিত কমিটি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছে যে, স্থায়ী কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই কাজী মজিবুর রহমান এককভাবে এই ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।