শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান কাজী মজিবরের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্ট’ কায়দায় দল চালানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের

খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘পকেট কমিটি’ প্রত্যাখান লোকমান-মাসুম পরিষদই বৈধ

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) খাগড়াছড়ি জেলা শাখায় নবগঠিত কথিত আহ্বায়ক কমিটিকে অবৈধ ও অসাংগঠনিক ঘোষণা করেছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার লোকমান হোসাইন, এস এম মাসুম রানা ও মো. মোকতাদের হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটিই বর্তমানে জেলার একমাত্র বৈধ কমিটি বলে জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে পিসিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামান মনির ও মহাসচিব মো. আলমগীর কবির এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জানান, গত ২৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভার কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে বিপুল ব্যবধানে বর্তমান জেলা কমিটি নির্বাচিত হয়। যা সংগঠনের ইতিহাসে একমাত্র গণতান্ত্রিক নজির। অথচ পিসিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে স্বৈরাচারী কায়দায় এই নির্বাচিত কমিটি বাতিল দেখিয়ে একটি ‘পকেট কমিটি’ ঘোষণা করেছেন।

কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি, নির্বাচনে সভাপতি পদে পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মজিদকে অনৈতিক সুবিধা দিতেই এই অবৈধ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিবৃতিতে আব্দুল মজিদকে সাবেক আওয়ামী মন্ত্রী কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ‘অপকর্মের সহযোগী’ এবং ‘ধান্দাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। মূলত নিজেদের পিঠ বাঁচাতে এবং ঠিকাদারিসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে এই স্বঘোষিত কমিটি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছে যে, স্থায়ী কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই কাজী মজিবুর রহমান এককভাবে এই ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান কাজী মজিবরের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্ট’ কায়দায় দল চালানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের

খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘পকেট কমিটি’ প্রত্যাখান লোকমান-মাসুম পরিষদই বৈধ

প্রকাশিত: ০৫:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) খাগড়াছড়ি জেলা শাখায় নবগঠিত কথিত আহ্বায়ক কমিটিকে অবৈধ ও অসাংগঠনিক ঘোষণা করেছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার লোকমান হোসাইন, এস এম মাসুম রানা ও মো. মোকতাদের হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটিই বর্তমানে জেলার একমাত্র বৈধ কমিটি বলে জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে পিসিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামান মনির ও মহাসচিব মো. আলমগীর কবির এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জানান, গত ২৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভার কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে বিপুল ব্যবধানে বর্তমান জেলা কমিটি নির্বাচিত হয়। যা সংগঠনের ইতিহাসে একমাত্র গণতান্ত্রিক নজির। অথচ পিসিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে স্বৈরাচারী কায়দায় এই নির্বাচিত কমিটি বাতিল দেখিয়ে একটি ‘পকেট কমিটি’ ঘোষণা করেছেন।

কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি, নির্বাচনে সভাপতি পদে পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মজিদকে অনৈতিক সুবিধা দিতেই এই অবৈধ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিবৃতিতে আব্দুল মজিদকে সাবেক আওয়ামী মন্ত্রী কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ‘অপকর্মের সহযোগী’ এবং ‘ধান্দাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। মূলত নিজেদের পিঠ বাঁচাতে এবং ঠিকাদারিসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে এই স্বঘোষিত কমিটি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছে যে, স্থায়ী কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই কাজী মজিবুর রহমান এককভাবে এই ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ ও প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।