শিরোনামঃ
Logo মৈত্রীর বারিবর্ষণে নতুন বছরকে বরণ বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উদ্‌যাপিত Logo সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী থেকে মানবিকতার বাতিঘর রামগড়ে সম্প্রীতির হাত বাড়াল ৪৩ বিজিবি Logo সাফল্যের আলোকচ্ছটায় রাঙামাটির মুজদ্দেদ-ই-আলফেসানী একাডেমি বিদায়, নবীন বরণ ও বিশেষ সংবর্ধনা Logo পাহাড়ের দুর্গম জনপদে সিন্দুকছড়ি জোনের মানবিকতা সহস্রাধিক মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসাপ্রাপ্তি Logo রাঙ্গামাটির জুরাছড়িতে মাঝহ্রদে নৌকাডুবি সেনাবাহিনীর তড়িৎ অভিযানে প্রাণ বাঁচল শিশু-গর্ভবতীসহ ১১ জনের Logo তেকসাস-এর নেতৃত্বে যুবরাজ ও বুশরা তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা Logo স্বপ্নজয়ী অভিযাত্রায় যোগ্যাছোলা সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসা বিদায় বরণ ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন Logo হাসপাতালের চার দেয়ালে বৈশাখের ছোঁয়া রোগীদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নিলেন ইউএইচএফপিও Logo খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ৫ম শ্রেনীর স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ- অভিযুক্ত ২ বখাটে Logo পাহাড়জুড়ে উৎসবের আমেজ মাটিরাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন
সাংগ্রাই ও বৈসাবি উপলক্ষে পাহাড়ি-বাঙালিদের মাঝে বিজিবির উৎসব উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী থেকে মানবিকতার বাতিঘর রামগড়ে সম্প্রীতির হাত বাড়াল ৪৩ বিজিবি

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে এলাকার পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মাঝে উৎসবকালীন সহায়তা ও মানবিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে এই সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা হয়।

বৃহস্পতিবার রামগড় জোন সদরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে সরাসরি তত্ত্বাবধান করেন রামগড় জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম, বিজিওএম, পিএসসি।

অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া একটি পরিবারকে আর্থিক পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান করা হয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব সাংগ্রাই ও বৈসাবি উপলক্ষে বিশেষ আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, সীমান্তের প্রহরী হিসেবে দেশের অখণ্ডতা রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা বিজিবির অন্যতম লক্ষ্য। মাদক নির্মূল ও চোরাচালান প্রতিরোধের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সামাজিক এই মানবিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবের এই সময়ে বিজিবির এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই ধরনের কার্যক্রম নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মৈত্রীর বারিবর্ষণে নতুন বছরকে বরণ বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উদ্‌যাপিত

সাংগ্রাই ও বৈসাবি উপলক্ষে পাহাড়ি-বাঙালিদের মাঝে বিজিবির উৎসব উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী থেকে মানবিকতার বাতিঘর রামগড়ে সম্প্রীতির হাত বাড়াল ৪৩ বিজিবি

প্রকাশিত: ১২:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে এলাকার পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মাঝে উৎসবকালীন সহায়তা ও মানবিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে এই সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা হয়।

বৃহস্পতিবার রামগড় জোন সদরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে সরাসরি তত্ত্বাবধান করেন রামগড় জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম, বিজিওএম, পিএসসি।

অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া একটি পরিবারকে আর্থিক পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান করা হয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব সাংগ্রাই ও বৈসাবি উপলক্ষে বিশেষ আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, সীমান্তের প্রহরী হিসেবে দেশের অখণ্ডতা রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা বিজিবির অন্যতম লক্ষ্য। মাদক নির্মূল ও চোরাচালান প্রতিরোধের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সামাজিক এই মানবিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবের এই সময়ে বিজিবির এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই ধরনের কার্যক্রম নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।