শিরোনামঃ
Logo কেংড়াছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়: রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ সদস্য Logo পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বার্তা: রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত Logo রাঙামাটি বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপিত: নতুন প্রজন্মকে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি
সাংগ্রাই ও বৈসাবি উপলক্ষে পাহাড়ি-বাঙালিদের মাঝে বিজিবির উৎসব উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী থেকে মানবিকতার বাতিঘর রামগড়ে সম্প্রীতির হাত বাড়াল ৪৩ বিজিবি

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে এলাকার পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মাঝে উৎসবকালীন সহায়তা ও মানবিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে এই সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা হয়।

বৃহস্পতিবার রামগড় জোন সদরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে সরাসরি তত্ত্বাবধান করেন রামগড় জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম, বিজিওএম, পিএসসি।

অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া একটি পরিবারকে আর্থিক পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান করা হয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব সাংগ্রাই ও বৈসাবি উপলক্ষে বিশেষ আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, সীমান্তের প্রহরী হিসেবে দেশের অখণ্ডতা রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা বিজিবির অন্যতম লক্ষ্য। মাদক নির্মূল ও চোরাচালান প্রতিরোধের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সামাজিক এই মানবিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবের এই সময়ে বিজিবির এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই ধরনের কার্যক্রম নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কেংড়াছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়: রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ সদস্য

সাংগ্রাই ও বৈসাবি উপলক্ষে পাহাড়ি-বাঙালিদের মাঝে বিজিবির উৎসব উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী থেকে মানবিকতার বাতিঘর রামগড়ে সম্প্রীতির হাত বাড়াল ৪৩ বিজিবি

প্রকাশিত: ১২:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে এলাকার পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মাঝে উৎসবকালীন সহায়তা ও মানবিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে এই সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা হয়।

বৃহস্পতিবার রামগড় জোন সদরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে সরাসরি তত্ত্বাবধান করেন রামগড় জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম, বিজিওএম, পিএসসি।

অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া একটি পরিবারকে আর্থিক পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান করা হয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব সাংগ্রাই ও বৈসাবি উপলক্ষে বিশেষ আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, সীমান্তের প্রহরী হিসেবে দেশের অখণ্ডতা রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা বিজিবির অন্যতম লক্ষ্য। মাদক নির্মূল ও চোরাচালান প্রতিরোধের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সামাজিক এই মানবিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবের এই সময়ে বিজিবির এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই ধরনের কার্যক্রম নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।