শিরোনামঃ
Logo পরিবার মানেনি ভালোবাসা, রাঙামাটিতে পাহাড়ের দুই চাকমা তরুণ-তরুণীর যুগল আত্মহত্যা Logo নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মিজানুর উদ্ধার রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী পুলিশের সাফল্য Logo নিখোঁজের ১১ দিন পর প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তান উদ্ধার পুলিশের বড় সাফল্য Logo রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo রাঙ্গামাটিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান’ নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ Logo সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার মহালছড়িতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত Logo রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তেল কারবারি গ্রেফতার বিপুল পরিমাণ ডিজেল জব্দ Logo শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্যের আহ্বানে পাহাড়ে বৈসাবি সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের শুভেচ্ছা Logo বাইশারীতে সম্প্রীতি জোটের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ Logo মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে পালিত হলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস
আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দোয়েল চত্বর থেকে শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মিজানুর উদ্ধার রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী পুলিশের সাফল্য

রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজের মাত্র এক দিনের মাথায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মোঃ মিজানুর রহমানকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং পুলিশের বিশেষ টিমের সমন্বিত অভিযানে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তাকে রাঙ্গামাটি শহরের দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিশু মিজানুর রহমান রাঙ্গামাটির লংগদু থানার বগাচতর এলাকার জিয়াউর রহমান ও মিনারা বেগমের সন্তান। গত ৬ এপ্রিল সে নিখোঁজ হলে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৯১) করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশে দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযানে অংশ নেয়। কোনো প্রকার ক্লু না থাকলেও নিখুঁত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। দীর্ঘ নজরদারি ও তল্লাশির পর দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু মিজানুর রহমানকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হারানো সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার বাবা-মা। তারা রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ ও কোতোয়ালী থানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার করা পুলিশের নিয়মিত কাজের অংশ। ভবিষ্যতে নিখোঁজ শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের উদ্ধারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার মানেনি ভালোবাসা, রাঙামাটিতে পাহাড়ের দুই চাকমা তরুণ-তরুণীর যুগল আত্মহত্যা

আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দোয়েল চত্বর থেকে শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মিজানুর উদ্ধার রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী পুলিশের সাফল্য

প্রকাশিত: ০১:১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজের মাত্র এক দিনের মাথায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মোঃ মিজানুর রহমানকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং পুলিশের বিশেষ টিমের সমন্বিত অভিযানে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তাকে রাঙ্গামাটি শহরের দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিশু মিজানুর রহমান রাঙ্গামাটির লংগদু থানার বগাচতর এলাকার জিয়াউর রহমান ও মিনারা বেগমের সন্তান। গত ৬ এপ্রিল সে নিখোঁজ হলে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৯১) করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশে দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযানে অংশ নেয়। কোনো প্রকার ক্লু না থাকলেও নিখুঁত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। দীর্ঘ নজরদারি ও তল্লাশির পর দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু মিজানুর রহমানকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হারানো সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার বাবা-মা। তারা রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ ও কোতোয়ালী থানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার করা পুলিশের নিয়মিত কাজের অংশ। ভবিষ্যতে নিখোঁজ শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের উদ্ধারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত থাকবে।