শিরোনামঃ
Logo রাঙামাটি বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপিত: নতুন প্রজন্মকে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া
আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দোয়েল চত্বর থেকে শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মিজানুর উদ্ধার রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী পুলিশের সাফল্য

রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজের মাত্র এক দিনের মাথায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মোঃ মিজানুর রহমানকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং পুলিশের বিশেষ টিমের সমন্বিত অভিযানে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তাকে রাঙ্গামাটি শহরের দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিশু মিজানুর রহমান রাঙ্গামাটির লংগদু থানার বগাচতর এলাকার জিয়াউর রহমান ও মিনারা বেগমের সন্তান। গত ৬ এপ্রিল সে নিখোঁজ হলে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৯১) করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশে দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযানে অংশ নেয়। কোনো প্রকার ক্লু না থাকলেও নিখুঁত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। দীর্ঘ নজরদারি ও তল্লাশির পর দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু মিজানুর রহমানকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হারানো সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার বাবা-মা। তারা রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ ও কোতোয়ালী থানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার করা পুলিশের নিয়মিত কাজের অংশ। ভবিষ্যতে নিখোঁজ শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের উদ্ধারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙামাটি বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপিত: নতুন প্রজন্মকে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান

আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দোয়েল চত্বর থেকে শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মিজানুর উদ্ধার রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী পুলিশের সাফল্য

প্রকাশিত: ০১:১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজের মাত্র এক দিনের মাথায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মোঃ মিজানুর রহমানকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং পুলিশের বিশেষ টিমের সমন্বিত অভিযানে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তাকে রাঙ্গামাটি শহরের দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিশু মিজানুর রহমান রাঙ্গামাটির লংগদু থানার বগাচতর এলাকার জিয়াউর রহমান ও মিনারা বেগমের সন্তান। গত ৬ এপ্রিল সে নিখোঁজ হলে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৯১) করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশে দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযানে অংশ নেয়। কোনো প্রকার ক্লু না থাকলেও নিখুঁত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। দীর্ঘ নজরদারি ও তল্লাশির পর দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু মিজানুর রহমানকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হারানো সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার বাবা-মা। তারা রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ ও কোতোয়ালী থানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার করা পুলিশের নিয়মিত কাজের অংশ। ভবিষ্যতে নিখোঁজ শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের উদ্ধারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত থাকবে।