শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দোয়েল চত্বর থেকে শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মিজানুর উদ্ধার রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী পুলিশের সাফল্য

রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজের মাত্র এক দিনের মাথায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মোঃ মিজানুর রহমানকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং পুলিশের বিশেষ টিমের সমন্বিত অভিযানে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তাকে রাঙ্গামাটি শহরের দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিশু মিজানুর রহমান রাঙ্গামাটির লংগদু থানার বগাচতর এলাকার জিয়াউর রহমান ও মিনারা বেগমের সন্তান। গত ৬ এপ্রিল সে নিখোঁজ হলে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৯১) করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশে দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযানে অংশ নেয়। কোনো প্রকার ক্লু না থাকলেও নিখুঁত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। দীর্ঘ নজরদারি ও তল্লাশির পর দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু মিজানুর রহমানকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হারানো সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার বাবা-মা। তারা রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ ও কোতোয়ালী থানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার করা পুলিশের নিয়মিত কাজের অংশ। ভবিষ্যতে নিখোঁজ শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের উদ্ধারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দোয়েল চত্বর থেকে শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মিজানুর উদ্ধার রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী পুলিশের সাফল্য

প্রকাশিত: ০১:১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজের মাত্র এক দিনের মাথায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মোঃ মিজানুর রহমানকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং পুলিশের বিশেষ টিমের সমন্বিত অভিযানে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তাকে রাঙ্গামাটি শহরের দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিশু মিজানুর রহমান রাঙ্গামাটির লংগদু থানার বগাচতর এলাকার জিয়াউর রহমান ও মিনারা বেগমের সন্তান। গত ৬ এপ্রিল সে নিখোঁজ হলে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৯১) করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশে দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযানে অংশ নেয়। কোনো প্রকার ক্লু না থাকলেও নিখুঁত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। দীর্ঘ নজরদারি ও তল্লাশির পর দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু মিজানুর রহমানকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হারানো সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার বাবা-মা। তারা রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ ও কোতোয়ালী থানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার করা পুলিশের নিয়মিত কাজের অংশ। ভবিষ্যতে নিখোঁজ শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের উদ্ধারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত থাকবে।