শিরোনামঃ
Logo টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: গুলিবিনিময়ে সেনাসদস্য শহীদ, জিম্মি থেকে মুক্ত ৫৭ Logo মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি Logo মহালছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর যাত্রা শুরু Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ Logo কাপ্তাই চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: প্রথম দিনেই ফরম নিলেন ১ প্রার্থী, চাঞ্চল্য ভোটারদের মাঝে Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক Logo কাপ্তাইয়ে চেকপোস্টে পুলিশের জালে ইয়াবাসহ আটক ১ Logo পানছড়িতে বৈধ ইজারাদারদের তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শঙ্কা Logo কাপ্তাইয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ চাকমা যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ
সাংবিধানিকভাবে ‘অবাঙালি’ সম্বোধন ও সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংহতি সম্মেলনে বক্তারা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সমঅধিকারের দাবি: সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ

জাতীয় সংহতি রক্ষা এবং পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’-এর উদ্যোগে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংহতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং আন্তঃসাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে কোনো কৃত্রিম বিভাজন নয়, বরং সর্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গিই হতে পারে স্থায়ী শান্তির চাবিকাঠি। এ সময় ‘উপজাতি’ কিংবা ‘সেটলার’-এর মতো দূরত্ব সৃষ্টিকারী মানসিকতা পরিহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালি ও অ-বাঙালি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য সম-অধিকার ও সাংবিধানিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার দাবি জানানো হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রধান সমন্বয়ক নিজাম উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে অবৈধ অস্ত্র ও সশস্ত্র সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের সুষম অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সব অধিবাসীর সমতার ভিত্তিতে আয়কর ছাড়সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের দাবিও উত্থাপন করা হয়।

সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। জাতিগত পরিচয় যার যার, বাংলাদেশি পরিচয় সবার—এই মূল্যবোধকে ধারণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভাজনমূলক রাজনীতির অবসান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সমাবেশটি সমাপ্ত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: গুলিবিনিময়ে সেনাসদস্য শহীদ, জিম্মি থেকে মুক্ত ৫৭

সাংবিধানিকভাবে ‘অবাঙালি’ সম্বোধন ও সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংহতি সম্মেলনে বক্তারা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সমঅধিকারের দাবি: সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ

প্রকাশিত: ০৯:১৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় সংহতি রক্ষা এবং পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’-এর উদ্যোগে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংহতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং আন্তঃসাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে কোনো কৃত্রিম বিভাজন নয়, বরং সর্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গিই হতে পারে স্থায়ী শান্তির চাবিকাঠি। এ সময় ‘উপজাতি’ কিংবা ‘সেটলার’-এর মতো দূরত্ব সৃষ্টিকারী মানসিকতা পরিহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালি ও অ-বাঙালি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য সম-অধিকার ও সাংবিধানিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার দাবি জানানো হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রধান সমন্বয়ক নিজাম উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে অবৈধ অস্ত্র ও সশস্ত্র সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের সুষম অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সব অধিবাসীর সমতার ভিত্তিতে আয়কর ছাড়সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের দাবিও উত্থাপন করা হয়।

সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। জাতিগত পরিচয় যার যার, বাংলাদেশি পরিচয় সবার—এই মূল্যবোধকে ধারণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভাজনমূলক রাজনীতির অবসান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সমাবেশটি সমাপ্ত হয়।