শিরোনামঃ
Logo খাগড়াছড়িতে বিজিবির ঝটিকা অভিযান: ৭.৫ লাখ টাকার ভারতীয় গরু জব্দ Logo ভালোবাসার টানে ধর্মান্তরিত মাহমুদা খাগড়াছড়ির পানছড়িতে কৌন্ডিন্য-মাহমুদার ভিন্নধর্মী বিয়ের চর্চা Logo মহালছড়িতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সংলাপ ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান Logo মানিকছড়িতে সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে Logo লংগদুতে সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ: বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পেলেন ৭০০ পাহাড়ি মানুষ Logo কাপ্তাইয়ে ৩ বছরেও শেষ হয়নি ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের নির্মাণকাজ, চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সমঅধিকারের দাবি: সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ Logo লক্ষ্মীছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা: মৃত ভিডিপি সদস্যের পরিবার পেল সেলাই মেশিন ও খাদ্যসামগ্রী Logo লংগদুতে ১ বছরের সাজা ও ২ লাখ টাকা জরিমানার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
সাংবিধানিকভাবে ‘অবাঙালি’ সম্বোধন ও সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংহতি সম্মেলনে বক্তারা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সমঅধিকারের দাবি: সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ

জাতীয় সংহতি রক্ষা এবং পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’-এর উদ্যোগে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংহতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং আন্তঃসাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে কোনো কৃত্রিম বিভাজন নয়, বরং সর্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গিই হতে পারে স্থায়ী শান্তির চাবিকাঠি। এ সময় ‘উপজাতি’ কিংবা ‘সেটলার’-এর মতো দূরত্ব সৃষ্টিকারী মানসিকতা পরিহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালি ও অ-বাঙালি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য সম-অধিকার ও সাংবিধানিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার দাবি জানানো হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রধান সমন্বয়ক নিজাম উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে অবৈধ অস্ত্র ও সশস্ত্র সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের সুষম অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সব অধিবাসীর সমতার ভিত্তিতে আয়কর ছাড়সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের দাবিও উত্থাপন করা হয়।

সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। জাতিগত পরিচয় যার যার, বাংলাদেশি পরিচয় সবার—এই মূল্যবোধকে ধারণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভাজনমূলক রাজনীতির অবসান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সমাবেশটি সমাপ্ত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে বিজিবির ঝটিকা অভিযান: ৭.৫ লাখ টাকার ভারতীয় গরু জব্দ

সাংবিধানিকভাবে ‘অবাঙালি’ সম্বোধন ও সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংহতি সম্মেলনে বক্তারা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সমঅধিকারের দাবি: সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ

প্রকাশিত: ০৯:১৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় সংহতি রক্ষা এবং পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’-এর উদ্যোগে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংহতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং আন্তঃসাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে কোনো কৃত্রিম বিভাজন নয়, বরং সর্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গিই হতে পারে স্থায়ী শান্তির চাবিকাঠি। এ সময় ‘উপজাতি’ কিংবা ‘সেটলার’-এর মতো দূরত্ব সৃষ্টিকারী মানসিকতা পরিহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালি ও অ-বাঙালি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য সম-অধিকার ও সাংবিধানিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার দাবি জানানো হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রধান সমন্বয়ক নিজাম উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে অবৈধ অস্ত্র ও সশস্ত্র সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের সুষম অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সব অধিবাসীর সমতার ভিত্তিতে আয়কর ছাড়সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের দাবিও উত্থাপন করা হয়।

সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। জাতিগত পরিচয় যার যার, বাংলাদেশি পরিচয় সবার—এই মূল্যবোধকে ধারণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভাজনমূলক রাজনীতির অবসান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সমাবেশটি সমাপ্ত হয়।