দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রুটে যাত্রীসেবা চালুর উদ্যোগে বাধা দিচ্ছে একটি মহল; চালক-মালিকদের চরম হুমকি ও হয়রানির প্রতিবাদে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা।
রাঙামাটি-রাজস্থলী সড়কে যাত্রীবাহী পিকআপ ও জীপ চলাচলে বাধা, গাড়ি আটকে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া এবং চালক-মালিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে এই রুটে গাড়ি চালুর উদ্যোগে বাধা দেওয়ায় নিরাপত্তা ও আইনি ব্যবস্থার দাবিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
দীর্ঘ দুই থেকে তিন বছর ধরে রাঙামাটি-রাজস্থলী রুটে নিয়মিত যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কাপ্তাই ও রাজস্থলী উপজেলার সাধারণ মানুষ। এই জনদুর্ভোগ কমাতে গত ১৬ আগস্ট থেকে রাঙামাটি যাত্রীবাহী পিকআপ মালিক সমবায় সমিতি এবং জেলা কার, মাইক্রোবাস ও পিকআপ-জীপ গাড়ি চালক শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এই রুটে পিকআপ ও জীপের মাধ্যমে যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে অভিযোগ উঠেছে, গাড়ি চলাচল শুরু হতেই চট্টগ্রাম ও রাউজান থেকে আসা কিছু ব্যক্তি এবং চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক ও চালক সমিতির লোকজন এতে বাধা দেন। ১৬ আগস্ট সকালে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া হয় এবং কয়েকটি গাড়ি আটকে রাখা হয়। এছাড়া ১৭ আগস্ট কাপ্তাইয়ের রাইখালী এলাকায় রাজস্থলী থেকে আসা যাত্রীবাহী পিকআপ আটকে হয়রানি ও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটানোর হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি রাঙামাটি থেকে কোনো গাড়ি রাউজানের ওপর দিয়ে চলতে না দেওয়ার হুশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। জেলার অভ্যন্তরে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাত্রী পরিবহন করতে কেন বাধা দেওয়া হবে—এই প্রশ্ন তুলেছেন নেতৃবৃন্দ। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রাঙামাটি-রাজস্থলী রুটে নিরবচ্ছিন্ন গাড়ি চলাচলের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।




















