শিরোনামঃ
Logo লক্ষীছড়িতে বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহযোগিতা Logo রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু উৎসবের শুভ উদ্বোধন Logo রাঙামাটিতে সুশাসন ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় বহুপক্ষীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত Logo তারুণ্যের জয়গানে মহালছড়িতে ‘হৃদয়ে মহালছড়ি’-র বর্ণাঢ্য আত্মপ্রকাশ Logo সিন্দুকছড়ি জোনের ঝটিকা অভিযান- মানিকছড়িতে সাড়ে ৮ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার Logo পাহাড়ে সম্প্রীতির সুবাতাস মহালছড়িতে বৈসাবি উদযাপনে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী Logo সীমান্তে তেল পাচার ও মজুদ রুখতে বরকলে বিজিবির কঠোর হুঁশিয়ারি Logo গুইমারায় সেনাবাহিনীর ঝটিকা অভিযান ইউপিডিএফ-এর আস্তানায় তল্লাশি, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার Logo খাগড়াছড়ি পিসিএনপি’র ‘পকেট কমিটি’ প্রত্যাখান লোকমান-মাসুম পরিষদই বৈধ Logo মানিকছড়িতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য: থ্রি স্টার ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত
সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে পাহাড়ী সম্প্রদায়ের পাশে লক্ষীছড়ি জোন

লক্ষীছড়িতে বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহযোগিতা

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব ‘মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী’ ২০২৬ উপলক্ষে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে স্থানীয় পাহাড়ী সম্প্রদায়কে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোন কর্তৃক এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।লক্ষীছড়ি জোন সদরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন আয়োজক কমিটির হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি।

জানা গেছে, লক্ষীছড়ি, বার্মাছড়ি ও দুল্যাতলী এলাকার বিভিন্ন পূজা ও উৎসব উদযাপন কমিটিকে তাদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জোন কমান্ডার বলেন, বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব পাহাড়ের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। সেনাবাহিনী সবসময় পাহাড়ের মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই উৎসবের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে এবং স্থানীয়দের সাথে সেনাবাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের সহযোগিতা সেনাবাহিনী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষীছড়িতে বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহযোগিতা

সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে পাহাড়ী সম্প্রদায়ের পাশে লক্ষীছড়ি জোন

লক্ষীছড়িতে বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহযোগিতা

প্রকাশিত: ১১:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব ‘মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী’ ২০২৬ উপলক্ষে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে স্থানীয় পাহাড়ী সম্প্রদায়কে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোন কর্তৃক এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।লক্ষীছড়ি জোন সদরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন আয়োজক কমিটির হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি।

জানা গেছে, লক্ষীছড়ি, বার্মাছড়ি ও দুল্যাতলী এলাকার বিভিন্ন পূজা ও উৎসব উদযাপন কমিটিকে তাদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জোন কমান্ডার বলেন, বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব পাহাড়ের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। সেনাবাহিনী সবসময় পাহাড়ের মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই উৎসবের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে এবং স্থানীয়দের সাথে সেনাবাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের সহযোগিতা সেনাবাহিনী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।