শিরোনামঃ
Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর
উৎসবের প্রস্তুতিতে জোন কমান্ডারের মতবিনিময় ও আর্থিক সহায়তা প্রদান; নিরাপত্তা নিশ্চিতের অঙ্গীকার

পাহাড়ে সম্প্রীতির সুবাতাস মহালছড়িতে বৈসাবি উদযাপনে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’র রঙে সাজতে শুরু করেছে পাহাড়। এই উৎসবকে ঘিরে শান্তি, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে মহালছড়িতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মহালছড়ি সেনা জোন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে মহালছড়ি জোন সদরে আসন্ন বৈসাবি উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আয়োজক কমিটির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহালছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ (পিএসসি)জি।

মতবিনিময়কালে জোন কমান্ডার আয়োজক কমিটির সদস্যদের সঙ্গে উৎসবের খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “বৈসাবি কেবল একটি উৎসব নয়, এটি পাহাড়ের মানুষের ঐক্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন। এই উৎসব যেন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে উদযাপিত হয়, তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বদা সজাগ রয়েছে।

সভায় জোন কমান্ডার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। উৎসবের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে এবং প্রস্তুতিমূলক কাজ ত্বরান্বিত করতে মহালছড়ি জোনের পক্ষ থেকে আয়োজক কমিটিকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আশ্বাস ও বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী সহায়তা ও আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, জোনের এই সহযোগিতা পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সকলের মাঝে সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। তারা উৎসব সফল করতে প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, বৈসাবি উৎসবের মাধ্যমে বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসুক—এই তিন উৎসবের মিলিত রূপ প্রকাশ পায়, যা পার্বত্য জনপদে নতুন বছরের বার্তা নিয়ে আসে। মহালছড়ি জোনের এই পৃষ্ঠপোষকতা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

উৎসবের প্রস্তুতিতে জোন কমান্ডারের মতবিনিময় ও আর্থিক সহায়তা প্রদান; নিরাপত্তা নিশ্চিতের অঙ্গীকার

পাহাড়ে সম্প্রীতির সুবাতাস মহালছড়িতে বৈসাবি উদযাপনে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী

প্রকাশিত: ১২:২৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’র রঙে সাজতে শুরু করেছে পাহাড়। এই উৎসবকে ঘিরে শান্তি, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে মহালছড়িতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মহালছড়ি সেনা জোন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে মহালছড়ি জোন সদরে আসন্ন বৈসাবি উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আয়োজক কমিটির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহালছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ (পিএসসি)জি।

মতবিনিময়কালে জোন কমান্ডার আয়োজক কমিটির সদস্যদের সঙ্গে উৎসবের খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “বৈসাবি কেবল একটি উৎসব নয়, এটি পাহাড়ের মানুষের ঐক্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন। এই উৎসব যেন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে উদযাপিত হয়, তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বদা সজাগ রয়েছে।

সভায় জোন কমান্ডার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। উৎসবের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে এবং প্রস্তুতিমূলক কাজ ত্বরান্বিত করতে মহালছড়ি জোনের পক্ষ থেকে আয়োজক কমিটিকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আশ্বাস ও বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী সহায়তা ও আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, জোনের এই সহযোগিতা পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সকলের মাঝে সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। তারা উৎসব সফল করতে প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, বৈসাবি উৎসবের মাধ্যমে বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসুক—এই তিন উৎসবের মিলিত রূপ প্রকাশ পায়, যা পার্বত্য জনপদে নতুন বছরের বার্তা নিয়ে আসে। মহালছড়ি জোনের এই পৃষ্ঠপোষকতা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।