শিরোনামঃ
Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর
সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে পাহাড়ী সম্প্রদায়ের পাশে লক্ষীছড়ি জোন

লক্ষীছড়িতে বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহযোগিতা

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব ‘মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী’ ২০২৬ উপলক্ষে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে স্থানীয় পাহাড়ী সম্প্রদায়কে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোন কর্তৃক এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।লক্ষীছড়ি জোন সদরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন আয়োজক কমিটির হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি।

জানা গেছে, লক্ষীছড়ি, বার্মাছড়ি ও দুল্যাতলী এলাকার বিভিন্ন পূজা ও উৎসব উদযাপন কমিটিকে তাদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জোন কমান্ডার বলেন, বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব পাহাড়ের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। সেনাবাহিনী সবসময় পাহাড়ের মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই উৎসবের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে এবং স্থানীয়দের সাথে সেনাবাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের সহযোগিতা সেনাবাহিনী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে পাহাড়ী সম্প্রদায়ের পাশে লক্ষীছড়ি জোন

লক্ষীছড়িতে বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহযোগিতা

প্রকাশিত: ১১:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব ‘মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী’ ২০২৬ উপলক্ষে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে স্থানীয় পাহাড়ী সম্প্রদায়কে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোন কর্তৃক এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।লক্ষীছড়ি জোন সদরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন আয়োজক কমিটির হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি।

জানা গেছে, লক্ষীছড়ি, বার্মাছড়ি ও দুল্যাতলী এলাকার বিভিন্ন পূজা ও উৎসব উদযাপন কমিটিকে তাদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জোন কমান্ডার বলেন, বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব পাহাড়ের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। সেনাবাহিনী সবসময় পাহাড়ের মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই উৎসবের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে এবং স্থানীয়দের সাথে সেনাবাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের সহযোগিতা সেনাবাহিনী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।