শিরোনামঃ
Logo টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: গুলিবিনিময়ে সেনাসদস্য শহীদ, জিম্মি থেকে মুক্ত ৫৭ Logo মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি Logo মহালছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর যাত্রা শুরু Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ Logo কাপ্তাই চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: প্রথম দিনেই ফরম নিলেন ১ প্রার্থী, চাঞ্চল্য ভোটারদের মাঝে Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক Logo কাপ্তাইয়ে চেকপোস্টে পুলিশের জালে ইয়াবাসহ আটক ১ Logo পানছড়িতে বৈধ ইজারাদারদের তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শঙ্কা Logo কাপ্তাইয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ চাকমা যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ

সরকারি হাসপাতালের আশপাশে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দৌরাত্ম্য কমাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নেওয়া নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবাদমাধ্যমের জন্য আকর্ষণীয় ও উপযোগী একটি নিউজ স্ক্রিপ্ট নিচে তৈরি করে দেওয়া হলো: আকর্ষনীয় টাইটেল ও সাবটাইটেল * টাইটেল: সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে করা যাবে না নতুন ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার * সাবটাইটেল: স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কঠোর নির্দেশনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের; সরকারি হাসপাতালের সীমানায় প্র্যাকটিস করতে পারবেন না সরকারি চিকিৎসকেরাও। * ট্যাগ: #স্বাস্থ্য_অধিদপ্তর #সরকারি_হাসপাতাল #ক্লিনিক_নিয়ন্ত্রণ সংবাদ স্ক্রিপ্ট [ভিজ্যুয়াল: নিউজ উপস্থাপক কিংবা অন-স্ক্রিন গ্রাফিক্সে সরকারি হাসপাতালের দৃশ্য এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোগো] উপস্থাপক: দেশের স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরণের শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে কোনো সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। [ভিজ্যুয়াল: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার বিজ্ঞপ্তির ছবি বা গ্রাফিক্স] বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এই কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। [ভিজ্যুয়াল: ডাক্তারদের চেম্বার বা চিকিৎসা সেবার প্রতীকী দৃশ্য] নতুন এই নির্দেশনায় কেবল নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপনই নিষিদ্ধ করা হয়নি, বরং আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটার সীমানার মধ্যে বর্তমানে যেসব বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রয়েছে, সেগুলোতেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। [ভিজ্যুয়াল: মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা বা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৃশ্য] এই নির্দেশ যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদেশ বাস্তবায়নের জন্য দেশের প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন অফিস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারি হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা অননুমোদিত ও অনিয়ন্ত্রিত ক্লিনিক ব্যবসার দৌরাত্ম্য কমবে এবং সাধারণ রোগীরা উন্নত ও হয়রানিমুক্ত সরকারি সেবা পেতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন। এই সংবাদটি কি আপনার পছন্দমতো হয়েছে, নাকি এতে আর কোনো তথ্য যোগ করার প্রয়োজন রয়েছে?

দেশের স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরণের শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে কোনো সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না।
‎বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
‎বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এই কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
‎নতুন এই নির্দেশনায় কেবল নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপনই নিষিদ্ধ করা হয়নি, বরং আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটার সীমানার মধ্যে বর্তমানে যেসব বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রয়েছে, সেগুলোতেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।
‎এই নির্দেশ যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদেশ বাস্তবায়নের জন্য দেশের প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন অফিস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
‎সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারি হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা অননুমোদিত ও অনিয়ন্ত্রিত ক্লিনিক ব্যবসার দৌরাত্ম্য কমবে এবং সাধারণ রোগীরা উন্নত ও হয়রানিমুক্ত সরকারি সেবা পেতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন।
‎
‎
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: গুলিবিনিময়ে সেনাসদস্য শহীদ, জিম্মি থেকে মুক্ত ৫৭

সরকারি হাসপাতালের আশপাশে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দৌরাত্ম্য কমাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নেওয়া নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবাদমাধ্যমের জন্য আকর্ষণীয় ও উপযোগী একটি নিউজ স্ক্রিপ্ট নিচে তৈরি করে দেওয়া হলো: আকর্ষনীয় টাইটেল ও সাবটাইটেল * টাইটেল: সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে করা যাবে না নতুন ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার * সাবটাইটেল: স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কঠোর নির্দেশনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের; সরকারি হাসপাতালের সীমানায় প্র্যাকটিস করতে পারবেন না সরকারি চিকিৎসকেরাও। * ট্যাগ: #স্বাস্থ্য_অধিদপ্তর #সরকারি_হাসপাতাল #ক্লিনিক_নিয়ন্ত্রণ সংবাদ স্ক্রিপ্ট [ভিজ্যুয়াল: নিউজ উপস্থাপক কিংবা অন-স্ক্রিন গ্রাফিক্সে সরকারি হাসপাতালের দৃশ্য এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোগো] উপস্থাপক: দেশের স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরণের শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে কোনো সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। [ভিজ্যুয়াল: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার বিজ্ঞপ্তির ছবি বা গ্রাফিক্স] বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এই কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। [ভিজ্যুয়াল: ডাক্তারদের চেম্বার বা চিকিৎসা সেবার প্রতীকী দৃশ্য] নতুন এই নির্দেশনায় কেবল নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপনই নিষিদ্ধ করা হয়নি, বরং আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটার সীমানার মধ্যে বর্তমানে যেসব বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রয়েছে, সেগুলোতেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। [ভিজ্যুয়াল: মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা বা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৃশ্য] এই নির্দেশ যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদেশ বাস্তবায়নের জন্য দেশের প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন অফিস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারি হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা অননুমোদিত ও অনিয়ন্ত্রিত ক্লিনিক ব্যবসার দৌরাত্ম্য কমবে এবং সাধারণ রোগীরা উন্নত ও হয়রানিমুক্ত সরকারি সেবা পেতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন। এই সংবাদটি কি আপনার পছন্দমতো হয়েছে, নাকি এতে আর কোনো তথ্য যোগ করার প্রয়োজন রয়েছে?

প্রকাশিত: ০২:৫৩:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরণের শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে কোনো সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না।
‎বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
‎বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এই কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
‎নতুন এই নির্দেশনায় কেবল নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপনই নিষিদ্ধ করা হয়নি, বরং আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটার সীমানার মধ্যে বর্তমানে যেসব বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রয়েছে, সেগুলোতেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।
‎এই নির্দেশ যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদেশ বাস্তবায়নের জন্য দেশের প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন অফিস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
‎সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারি হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা অননুমোদিত ও অনিয়ন্ত্রিত ক্লিনিক ব্যবসার দৌরাত্ম্য কমবে এবং সাধারণ রোগীরা উন্নত ও হয়রানিমুক্ত সরকারি সেবা পেতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন।
‎
‎