পার্বত্য রাঙামাটির সাজেক পর্যটন অঞ্চলের চাইল্যাতলী এলাকায় আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপ) এবং জেএসএস (সন্তু গ্রুপ)-এর মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে ৭ বছরের এক শিশু।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এই বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটি।
সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম বলেন, জুম্ম জনগণের অধিকার আদায়ের স্লোগান দেওয়া সশস্ত্র এই সংগঠনগুলো বাস্তবে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ ও অবোধ শিশুদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে ইউপিডিএফের গ্রুপ কমান্ডার বিপ্লব ও বাবুধন এবং জেএসএসের গ্রুপ কমান্ডার বিক্রমের বাহিনীর মধ্যে ভারী গোলাগুলি শুরু হয়। এই ক্ষমতার লড়াইয়ের নির্মম শিকার হয়ে মাচালং এলাকার ৭ বছরের শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরা গুলিবিদ্ধ হয়।
নেতৃবৃন্দের প্রধান দাবিগুলো:সাজেকের সংঘাতে জড়িত ইউপিডিএফ ও জেএসএসের সব সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা,নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা,গুলিবিদ্ধ শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরার সুচিকিৎসা এবং তার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান,পাহাড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের সশস্ত্র সহিংসতার কারণে সাজেক অঞ্চলের মতো সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত এবং দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মক সংকটের মুখে পড়ছে। পাহাড়ে এই ধরনের নিরাপত্তাহীনতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।













