রোগমুক্ত ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাঙামাটিতে আয়োজিত র্যালি ও আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদের এনএক্স ভবনের মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পরাগ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রকৌশলী সুব্রত বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ খন্দকার রিজাউল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিব মাহমুদ, রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী কর্মকর্তা মানস মুকুল চাকমা এবং সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. মংক্যউচিং, ইউএইচএফপিও (UH&FPO)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন বলেন, স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত করতে হবে এবং সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে, যাতে তাঁরা ছোটবেলা থেকেই শিশুদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, হাতের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগজীবাণু শরীরে প্রবেশ করে নানা ধরনের মারাত্মক রোগ ছড়াতে পারে। তাই খাবার খাওয়ার আগে, টয়লেট ব্যবহারের পর এবং দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজের পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া জরুরি। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিশুদের মধ্যে এই স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব।
আলোচনা সভায় বক্তারা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাসের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন।












