খাগড়াছড়ির গুইমারা সরকারি মডেল হাই স্কুলের চলমান নির্মাণকাজের বেইসের মাটি রাতের আঁধারে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি প্রকল্পের এই মাটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকার কথা থাকলেও, বাস্তবে তা একটি অসাধু চক্রের মাধ্যমে হরিলুট হয়ে প্রকাশ্যে বিক্রির মহোৎসবে পরিণত হয়েছে।
গুইমারা সরকারি মডেল হাই স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের মাটি নিয়ম অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষণ করার কথা থাকলেও, রাতের অন্ধকারে তা পাচার করে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্থানে। স্থানীয়দের এমন অভিযোগে সরজমিন তথ্যানুসন্ধানে নামে সংবাদকর্মীরা।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত সাব-ঠিকাদার ফারুক হোসেন (বাবু) জানান, তিনি এবং জাহাঙ্গীরসহ দুজনে মিলে প্রায় ২০০ ফুটের ট্রাকের মাধ্যমে মোট ৬৭ ট্রাক মাটি বাইরে বিক্রি করে দিয়েছেন। সরকারি প্রকল্পের এই মালামাল বা মাটি এভাবে ব্যক্তিগত বা উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে দেওয়া আইনগতভাবে সম্পূর্ণ অপরাধ হলেও, আইনের তোয়াক্কা না করেই চলছে এই অবৈধ বাণিজ্য।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজকে পুঁজি করে এক শ্রেণির অসাধু চক্র এভাবে সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করায় স্থানীয় সচেতন মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং লুট হওয়া মাটির সঠিক হিসাব ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা হোক।
সাব-ঠিকাদার ফারুক হোসেন (বাবু) বর্তমানে আত্মগোপনে মানিকছড়ির জিয়ানগর শশুর বাড়িতে আছেন।













