শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত Logo কাপ্তাইয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত Logo রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৭ Logo রাজপথের পরীক্ষিত লড়াই থেকে ভোটের ময়দানে: ভিপি শাহীনের জন্মদিনে নেতাকর্মীদের উল্লাস Logo খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বিএনপির প্রস্তুতি সভায় হামলা: আহত ৪, চমেক হাসপাতালে প্রেরিত ৩ Logo টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: গুলিবিনিময়ে সেনাসদস্য শহীদ, জিম্মি থেকে মুক্ত ৫৭ Logo মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি Logo মহালছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর যাত্রা শুরু Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ

সাজেকে ইউপিডিএফ-জেএসএস সংঘাত: চাঁদাবাজির লড়াইয়ে ৭ বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ, পিসিসিপির তীব্র নিন্দা

পার্বত্য রাঙামাটির সাজেক পর্যটন অঞ্চলের চাইল্যাতলী এলাকায় আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপ) এবং জেএসএস (সন্তু গ্রুপ)-এর মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে ৭ বছরের এক শিশু।
‎
‎আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এই বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটি।
‎
‎সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম বলেন, জুম্ম জনগণের অধিকার আদায়ের স্লোগান দেওয়া সশস্ত্র এই সংগঠনগুলো বাস্তবে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ ও অবোধ শিশুদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে ইউপিডিএফের গ্রুপ কমান্ডার বিপ্লব ও বাবুধন এবং জেএসএসের গ্রুপ কমান্ডার বিক্রমের বাহিনীর মধ্যে ভারী গোলাগুলি শুরু হয়। এই ক্ষমতার লড়াইয়ের নির্মম শিকার হয়ে মাচালং এলাকার ৭ বছরের শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরা গুলিবিদ্ধ হয়।
‎
‎নেতৃবৃন্দের প্রধান দাবিগুলো:সাজেকের সংঘাতে জড়িত ইউপিডিএফ ও জেএসএসের সব সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা,নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা,গুলিবিদ্ধ শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরার সুচিকিৎসা এবং তার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান,পাহাড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা।
‎
‎নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের সশস্ত্র সহিংসতার কারণে সাজেক অঞ্চলের মতো সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত এবং দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মক সংকটের মুখে পড়ছে। পাহাড়ে এই ধরনের নিরাপত্তাহীনতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
‎
‎
জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

সাজেকে ইউপিডিএফ-জেএসএস সংঘাত: চাঁদাবাজির লড়াইয়ে ৭ বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ, পিসিসিপির তীব্র নিন্দা

প্রকাশিত: ১২:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পার্বত্য রাঙামাটির সাজেক পর্যটন অঞ্চলের চাইল্যাতলী এলাকায় আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপ) এবং জেএসএস (সন্তু গ্রুপ)-এর মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে ৭ বছরের এক শিশু।
‎
‎আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এই বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটি।
‎
‎সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম বলেন, জুম্ম জনগণের অধিকার আদায়ের স্লোগান দেওয়া সশস্ত্র এই সংগঠনগুলো বাস্তবে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ ও অবোধ শিশুদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে ইউপিডিএফের গ্রুপ কমান্ডার বিপ্লব ও বাবুধন এবং জেএসএসের গ্রুপ কমান্ডার বিক্রমের বাহিনীর মধ্যে ভারী গোলাগুলি শুরু হয়। এই ক্ষমতার লড়াইয়ের নির্মম শিকার হয়ে মাচালং এলাকার ৭ বছরের শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরা গুলিবিদ্ধ হয়।
‎
‎নেতৃবৃন্দের প্রধান দাবিগুলো:সাজেকের সংঘাতে জড়িত ইউপিডিএফ ও জেএসএসের সব সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা,নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা,গুলিবিদ্ধ শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরার সুচিকিৎসা এবং তার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান,পাহাড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা।
‎
‎নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের সশস্ত্র সহিংসতার কারণে সাজেক অঞ্চলের মতো সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত এবং দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মক সংকটের মুখে পড়ছে। পাহাড়ে এই ধরনের নিরাপত্তাহীনতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
‎
‎