রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ আর সততার এক উজ্জ্বল নাম মোঃ রেজাউল করিম—যিনি দেবিদ্বারের রাজনীতিতে ভিপি শাহীন নামেই সমাদৃত। আজ ৬ নভেম্বর, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং আসন্ন দেবিদ্বার পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র পদপ্রার্থী এই বীর রাজপথের নেতার শুভ জন্মদিন।
১৯৭৪ সালের আজকের এই দিনে দেবিদ্বারের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন ভিপি শাহীন। তাঁর বাবা মরহুম আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ছিলেন একজন প্রকৌশলী এবং মা আলহাজ্ব আফিয়া বেগম একজন শিক্ষিকা। পরিবারটির রয়েছে এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক মর্যাদা—১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাথে শাহাদাত বরণকারী দেহরক্ষী শহীদ নায়েক আবু তাহেরের সাথে তাঁদের গভীর আত্মীয়তার সম্পর্ক।
১৯৯০ সালে ছাত্রদলের সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে পদার্পণ। এরপর কেবলই এগিয়ে যাওয়ার গল্প। ১৯৯১-৯২ শিক্ষাবর্ষে দেবিদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে এজিএস এবং ১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষে রেকর্ডের সর্বাধিক ভোটে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদল, উপজেলা যুবদল থেকে শুরু করে ২০১৭ সালে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘ দিন। তৃণমূল রাজনীতিতে এই সাফল্য তাঁকে সাধারণ মানুষের অতি পরিচিত ও প্রিয় মুখ হিসেবে গড়ে তোলে।
নেতৃত্ব যেমন পেয়েছেন, তেমনই স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে থেকে সইতে হয়েছে নির্মম নির্যাতন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় ১৬টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলা, একাধিকবার ভোগ করতে হয়েছে কারাজুলুম। র্যাবের ক্রসফায়ার থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা এই নেতা সর্বশেষ ২০২৩ সালের অক্টোবরে পল্টন থেকে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘ সাড়ে ৩ মাস কারাভোগ করেন।
শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এবং তারেক রহমানের দেওয়া রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচির বার্তা নিয়ে এখন তিনি দেবিদ্বার পৌরবাসীর দোরগোড়ায়। পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব শহরে রূপান্তরের লক্ষ্যে আগামী পৌর নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে লড়তে প্রস্তুত।
জন্মদিনের এই বিশেষ ক্ষণে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ স্থানীয় অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও রাজনৈতিক উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছেন।















