শিরোনামঃ
Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক Logo কাপ্তাইয়ে চেকপোস্টে পুলিশের জালে ইয়াবাসহ আটক ১ Logo পানছড়িতে বৈধ ইজারাদারদের তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শঙ্কা Logo কাপ্তাইয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ চাকমা যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ Logo মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ স্লোগানে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা Logo মানিকছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত: ৪ উদ্যোক্তাকে যুব ঋণের চেক ও সনদ বিতরণ Logo রাঙামাটির বনরূপায় যাত্রা শুরু করলো নতুন মোবাইল শপ ‘অল ইন ওয়ান বাই এক্সচেঞ্জ’ Logo তৃণমূলের ঐক্য শক্তিশালী করতে উদ্যমী মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপি: উপজেলা নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় সভা Logo কাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা: ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ Logo মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত: নবারুণ সংঘ পেল ৭৫ হাজার টাকার অনুদান
বৈসাবি উৎসবের মাঝেই চৌধুরীঘাটে সন্ত্রাসীদের হামলা আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রামে প্রেরণ

পাহাড়ে উৎসবের আমেজে রক্তপাত গুইমারায় যুবককে পিটিয়ে জখম

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় উৎসবের আনন্দের মাঝেই বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে। বৈসাবির আমেজে যখন পাহাড় মুখরিত, ঠিক তখনই অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় সুইপ্রু মারমা (৩৮) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেকহাতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোররাত আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে গুইমারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চৌধুরীঘাট এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সুইপ্রু মারমা ওই এলাকার দেওয়ানপাড়ার বাসিন্দা নিসাইপ্রু মারমার ছেলে। সন্ত্রাসীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন চৌধুরীঘাট এলাকার ক্যায়াংঘরে প্রার্থনায় যাওয়ার সময় সুইপ্রুকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোহরাওয়ার্দী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে মাটিরাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নাইক্যাপাড়া সেনা ক্যাম্প থেকে সার্জেন্ট সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টহল দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

গুইমারা থানার ওসি মোঃ সোহরাওয়ার্দী (সরওয়ার) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান-আমরা বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি এবং তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, তবে পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, আহত সুইপ্রু মারমা রোববার রাত ৯টায় বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। উৎসবের এই সময়ে এমন নৃশংস ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জনপ্রিয় সংবাদ

রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক

বৈসাবি উৎসবের মাঝেই চৌধুরীঘাটে সন্ত্রাসীদের হামলা আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রামে প্রেরণ

পাহাড়ে উৎসবের আমেজে রক্তপাত গুইমারায় যুবককে পিটিয়ে জখম

প্রকাশিত: ০৩:২৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় উৎসবের আনন্দের মাঝেই বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে। বৈসাবির আমেজে যখন পাহাড় মুখরিত, ঠিক তখনই অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় সুইপ্রু মারমা (৩৮) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেকহাতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোররাত আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে গুইমারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চৌধুরীঘাট এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সুইপ্রু মারমা ওই এলাকার দেওয়ানপাড়ার বাসিন্দা নিসাইপ্রু মারমার ছেলে। সন্ত্রাসীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন চৌধুরীঘাট এলাকার ক্যায়াংঘরে প্রার্থনায় যাওয়ার সময় সুইপ্রুকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোহরাওয়ার্দী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে মাটিরাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নাইক্যাপাড়া সেনা ক্যাম্প থেকে সার্জেন্ট সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টহল দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

গুইমারা থানার ওসি মোঃ সোহরাওয়ার্দী (সরওয়ার) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান-আমরা বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি এবং তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, তবে পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, আহত সুইপ্রু মারমা রোববার রাত ৯টায় বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। উৎসবের এই সময়ে এমন নৃশংস ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।