শিরোনামঃ
Logo রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৭ Logo রাজপথের পরীক্ষিত লড়াই থেকে ভোটের ময়দানে: ভিপি শাহীনের জন্মদিনে নেতাকর্মীদের উল্লাস Logo খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বিএনপির প্রস্তুতি সভায় হামলা: আহত ৪, চমেক হাসপাতালে প্রেরিত ৩ Logo টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: গুলিবিনিময়ে সেনাসদস্য শহীদ, জিম্মি থেকে মুক্ত ৫৭ Logo মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি Logo মহালছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর যাত্রা শুরু Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ Logo কাপ্তাই চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: প্রথম দিনেই ফরম নিলেন ১ প্রার্থী, চাঞ্চল্য ভোটারদের মাঝে Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক
ব্যাংক ঋণ নিয়ে গড়া বাগান বারবার আক্রান্ত; পুরোনো মামলা চলমান থাকতেই ফের প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে বর্বরতার অভিযোগ।

গুইমারায় রাতের আঁধারে কৃষকের স্বপ্ন ধ্বংস: ৬০০ চারা গাছ কেটে সাবাড়, আড়াই লাখের ক্ষতি

মাটির বুকে পরম যত্নে বুনেছিলেন স্বপ্নের চারা। ব্যাংক ও বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে দিনরাত এক করে গড়ে তুলেছিলেন এক সবুজ সমারোহ। কিন্তু এক রাতের বর্বরতায় সেই সাজানো বাগান এখন এক মহাশ্মশান! খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হয়েছে প্রায় ৬০০টি আম, পেয়ারা, কলা ও মরিচ গাছের চারা। এতে চরম আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. মকিম।

প্রায় ১ একর ক্ষতিগ্রস্ত চারা গাছ: প্রায় ৬০০টি (আম, পেয়ারা, কলা ও মরিচ) প্রায় ২,৫০,০০০ (আড়াই লাখ) টাকা

পুরোনো শত্রুতার জের, বারবার আঘাত ভুক্তভোগী কৃষক মকিমের অভিযোগ, ১ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে স্থানীয় বনি আমিন ও চাইহলাও মারমা জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে এটিই প্রথম নয়; এর আগেও ২০২৫ সালে উক্ত ভূমি থেকে প্রায় ৫০০টি আম গাছ কেটে ফেলা হয়েছিল, যা নিয়ে খাগড়াছড়ি আদালতে এখনো মামলা চলছে। বারবার সামাজিক বিচার অমান্য করে এই চক্রটি মকিমের বাগানে হানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী মকিম বলেন, ঋণ নিয়ে বাগানটি দাঁড় করিয়েছিলাম। রাতারাতি আমার সব শ্রম আর বিনিয়োগ শেষ করে দেওয়া হলো। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিরোধের জের ধরে এলাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে পারে। ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে দ্রুত প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৭

ব্যাংক ঋণ নিয়ে গড়া বাগান বারবার আক্রান্ত; পুরোনো মামলা চলমান থাকতেই ফের প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে বর্বরতার অভিযোগ।

গুইমারায় রাতের আঁধারে কৃষকের স্বপ্ন ধ্বংস: ৬০০ চারা গাছ কেটে সাবাড়, আড়াই লাখের ক্ষতি

প্রকাশিত: ০৫:১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

মাটির বুকে পরম যত্নে বুনেছিলেন স্বপ্নের চারা। ব্যাংক ও বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে দিনরাত এক করে গড়ে তুলেছিলেন এক সবুজ সমারোহ। কিন্তু এক রাতের বর্বরতায় সেই সাজানো বাগান এখন এক মহাশ্মশান! খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হয়েছে প্রায় ৬০০টি আম, পেয়ারা, কলা ও মরিচ গাছের চারা। এতে চরম আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. মকিম।

প্রায় ১ একর ক্ষতিগ্রস্ত চারা গাছ: প্রায় ৬০০টি (আম, পেয়ারা, কলা ও মরিচ) প্রায় ২,৫০,০০০ (আড়াই লাখ) টাকা

পুরোনো শত্রুতার জের, বারবার আঘাত ভুক্তভোগী কৃষক মকিমের অভিযোগ, ১ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে স্থানীয় বনি আমিন ও চাইহলাও মারমা জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে এটিই প্রথম নয়; এর আগেও ২০২৫ সালে উক্ত ভূমি থেকে প্রায় ৫০০টি আম গাছ কেটে ফেলা হয়েছিল, যা নিয়ে খাগড়াছড়ি আদালতে এখনো মামলা চলছে। বারবার সামাজিক বিচার অমান্য করে এই চক্রটি মকিমের বাগানে হানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী মকিম বলেন, ঋণ নিয়ে বাগানটি দাঁড় করিয়েছিলাম। রাতারাতি আমার সব শ্রম আর বিনিয়োগ শেষ করে দেওয়া হলো। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিরোধের জের ধরে এলাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে পারে। ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে দ্রুত প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।