শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: বিএনপির র‍্যালি ও আলোচনা সভা Logo সমবায়ের হাত ধরে সমৃদ্ধির পথে মহালছড়ি: ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত Logo কাপ্তাইয়ে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত: ‘সমবায়ের আলোয় গড়ব স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ Logo সাজেকে সেনাবাহিনীর সফল অভিযান: দেশীয় অস্ত্র ও চাঁদা আদায়ের সরঞ্জামসহ গোলাবারুদ উদ্ধার Logo সাজেকে সেনাবাহিনীর সফল অভিযান: দেশীয় অস্ত্র ও চাঁদা আদায়ের সরঞ্জামসহ গোলাবারুদ উদ্ধার Logo বান্দরবানে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত Logo মহালছড়িতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত Logo কাপ্তাইয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত Logo রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৭ Logo রাজপথের পরীক্ষিত লড়াই থেকে ভোটের ময়দানে: ভিপি শাহীনের জন্মদিনে নেতাকর্মীদের উল্লাস

কাপ্তাই বিএসপিআই সংঘর্ষ: নিরপেক্ষ তদন্ত ও আঞ্চলিক ফোরাম নিষিদ্ধের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম ‎

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ সুইডেন সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের (বিএসপিআই) ছাত্রাবাসে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আঞ্চলিক ফোরামের কোন্দল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ঘটনার পর থেকেই ক্যাম্পাসে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।

গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে বিএসপিআইয়ের ছাত্রাবাসে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন শিক্ষার্থী আহত হন। এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

‎এই অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবি তুলে ধরেছেন।

তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা,সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দোষী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া,আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষকে বহন করা, ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে সকল ধরনের আঞ্চলিক ফোরামের কার্যক্রম চিরতরে নিষিদ্ধ করা।

‎শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে কাপ্তাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিএসপিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অটোমোবাইল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইঞ্জিনিয়ার রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত রয়েছে এবং আসন্ন সমাপনী পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: বিএনপির র‍্যালি ও আলোচনা সভা

কাপ্তাই বিএসপিআই সংঘর্ষ: নিরপেক্ষ তদন্ত ও আঞ্চলিক ফোরাম নিষিদ্ধের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম ‎

প্রকাশিত: ০৩:১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ সুইডেন সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের (বিএসপিআই) ছাত্রাবাসে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আঞ্চলিক ফোরামের কোন্দল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ঘটনার পর থেকেই ক্যাম্পাসে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।

গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে বিএসপিআইয়ের ছাত্রাবাসে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন শিক্ষার্থী আহত হন। এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

‎এই অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবি তুলে ধরেছেন।

তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা,সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দোষী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া,আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষকে বহন করা, ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে সকল ধরনের আঞ্চলিক ফোরামের কার্যক্রম চিরতরে নিষিদ্ধ করা।

‎শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে কাপ্তাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিএসপিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অটোমোবাইল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইঞ্জিনিয়ার রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত রয়েছে এবং আসন্ন সমাপনী পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।