চাকরি দেওয়ার নাম করে এক মারমা ডিভোর্সি নারীকে (৩০) চট্টগ্রামে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্বজাতীয় এক যুবক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। গত ১৩ জুন চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকায় এই ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ভাইরাল হলে এবং ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গতকাল ১৭ জুন (বুধবার) সন্ধ্যায় তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে ও ভিকটিমের পরিবার সূত্রে জানা যায়, খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম কুকিছড়া এলাকার বাসিন্দা ওই নারীকে আকিজ গ্রুপ কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখায় একই ইউনিয়নের বরইতলি এলাকার ম্রাসা মারমা (৩৮) নামের এক ব্যক্তি। গত ১৩ জুন চাকরি দেওয়ার কথা বলে ভিকটিমকে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানা এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওইদিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ম্রাসা মারমা এবং তার সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন মিলে ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে।
ধর্ষণের ঘটনার পরদিন ১৪ জুন ভিকটিম খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। তবে লোকলজ্জা ও চাপের মুখে সে সময় ধর্ষণের বিষয়টি গোপন রাখা হয় এবং ওইদিনই পরিবার তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। এরই মধ্যে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
অবশেষে গতকাল ১৭ জুন খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে হাসপাতালের ২য় তলার গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তির পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।















