শিরোনামঃ
Logo ঘুচছে ৪০ বছরের দীর্ঘ পানির কষ্ট: রাজস্থলীর দুর্গম খিয়াং পাড়ায় প্রতিমন্ত্রীর দ্রুত উদ্যোগে স্বস্তি Logo রামগড়ে ৪৫৬ পরিবার পেল ‘ফ্যামিলি কার্ড’: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় ডিজিটাল মিটারেও ‘ভৌতিক বিল’: লাস্ট ডেট ২০৩০ সাল Logo পর্যটনকে সহজ করতে বানালো ‘Travela’ অ্যাপ Logo রাঙামাটি আইনজীবী সহকারী (ক্লার্ক) সমিতির নির্বাচন সম্পন Logo নেটওয়ার্ক পেতে গাছের মগঢালে উঠলেন প্রধান শিক্ষক, দুর্গম পাহাড়ে অনলাইন হাজিরার ভোগান্তি Logo মানিকছড়িতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, এনজিও কর্মকর্তা সুপন চাকমার মৃত্যু Logo নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে মহালছড়িতে পিডিবিএফ-এর বিশেষ উদ্যোগ Logo নিরাপদ ফসল উৎপাদনে জোর: মহালছড়িতে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ Logo রাঙামাটিতে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন
দুই গ্রাহকের আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলে এলাকায় চাঞ্চল্য; পিডিবির চরম গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় ডিজিটাল মিটারেও ‘ভৌতিক বিল’: লাস্ট ডেট ২০৩০ সাল

ডিজিটাল কিংবা প্রিপেইড মিটারের মূল উদ্দেশ্যই ছিল গ্রাহকদের নির্ভুল সেবা দেওয়া এবং ভৌতিক বিলের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া। কিন্তু খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় ঘটেছে ঠিক উল্টো পিঠের এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। ডিজিটাল মিটার থাকার পরও দুজন সাধারণ গ্রাহকের নামে এসেছে বিশাল অঙ্কের ‘ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল’। শুধু বিলের টাকার অঙ্কেই নয়, বিল পরিশোধের শেষ সময় (লাস্ট ডেট) দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০ সাল! পিডিবির (PDB) এমন অদ্ভুত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জালিয়াপাড়ার ওই দুই ভুক্তভোগী গ্রাহক নিয়মিত তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিলেন। হঠাৎ চলতি মাসে তাদের হাতে আসা বিদ্যুৎ বিল দেখে চোখ চড়কগাছ হওয়ার দশা। ডিজিটাল মিটার হওয়া সত্ত্বেও কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই মনগড়া এবং আকাশচুম্বী বিল প্রস্তুত করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তার চেয়েও বড় চমক তৈরি করেছে বিল পরিশোধের সময়সীমা। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ২০৩০ সালের ডেট দেখে গ্রাহকরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, ডিজিটাল মিটার লাগানোর পর আমরা ভেবেছিলাম আর ভোগান্তি হবে না। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চরম গাফিলতি এবং খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের এই মানসিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিলের এই অদ্ভুত ভুল নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখন নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের দানা বাঁধছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টিকে ‘টেকনিক্যাল বা টাইপিং ভুল’ বলে এড়াতে চান এবং দ্রুতই এটি সংশোধন করে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন—ডিজিটাল যুগেও যদি এমন প্রাচীন আমলের ‘ভৌতিক’ ভুল হতে থাকে, তবে ডিজিটাল সেবার স্বচ্ছতা থাকবে কোথায়? অবিলম্বে এই গাফিলতির তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুচছে ৪০ বছরের দীর্ঘ পানির কষ্ট: রাজস্থলীর দুর্গম খিয়াং পাড়ায় প্রতিমন্ত্রীর দ্রুত উদ্যোগে স্বস্তি

দুই গ্রাহকের আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলে এলাকায় চাঞ্চল্য; পিডিবির চরম গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় ডিজিটাল মিটারেও ‘ভৌতিক বিল’: লাস্ট ডেট ২০৩০ সাল

প্রকাশিত: ০৪:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ডিজিটাল কিংবা প্রিপেইড মিটারের মূল উদ্দেশ্যই ছিল গ্রাহকদের নির্ভুল সেবা দেওয়া এবং ভৌতিক বিলের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া। কিন্তু খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় ঘটেছে ঠিক উল্টো পিঠের এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। ডিজিটাল মিটার থাকার পরও দুজন সাধারণ গ্রাহকের নামে এসেছে বিশাল অঙ্কের ‘ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল’। শুধু বিলের টাকার অঙ্কেই নয়, বিল পরিশোধের শেষ সময় (লাস্ট ডেট) দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০ সাল! পিডিবির (PDB) এমন অদ্ভুত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জালিয়াপাড়ার ওই দুই ভুক্তভোগী গ্রাহক নিয়মিত তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিলেন। হঠাৎ চলতি মাসে তাদের হাতে আসা বিদ্যুৎ বিল দেখে চোখ চড়কগাছ হওয়ার দশা। ডিজিটাল মিটার হওয়া সত্ত্বেও কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই মনগড়া এবং আকাশচুম্বী বিল প্রস্তুত করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তার চেয়েও বড় চমক তৈরি করেছে বিল পরিশোধের সময়সীমা। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ২০৩০ সালের ডেট দেখে গ্রাহকরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, ডিজিটাল মিটার লাগানোর পর আমরা ভেবেছিলাম আর ভোগান্তি হবে না। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চরম গাফিলতি এবং খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের এই মানসিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিলের এই অদ্ভুত ভুল নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখন নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের দানা বাঁধছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টিকে ‘টেকনিক্যাল বা টাইপিং ভুল’ বলে এড়াতে চান এবং দ্রুতই এটি সংশোধন করে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন—ডিজিটাল যুগেও যদি এমন প্রাচীন আমলের ‘ভৌতিক’ ভুল হতে থাকে, তবে ডিজিটাল সেবার স্বচ্ছতা থাকবে কোথায়? অবিলম্বে এই গাফিলতির তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।