শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
প্রতিটি জাতির আত্মপরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে — ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক

উৎসবের নিজস্ব নাম ফেরানোর উদ্যোগ পার্বত্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলোর সামষ্টিক নাম ‘বৈসাবি’র পরিবর্তে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্যের নামে (বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ইত্যাদি) উদযাপনের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কর্তৃক গৃহীত এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিয়েছেন জোটের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জোটের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট নাগরিক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘বৈসাবি’ শব্দটি সামষ্টিক পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অনেক ছোট জাতিসত্তার নিজস্ব উৎসবের নাম ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা ম্লান হয়ে যাচ্ছিল। সরকারের এই সাহসী সিদ্ধান্ত পাহাড়ের প্রতিটি জাতির প্রকৃত ইতিহাস ও আত্মপরিচয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, উৎসবের নিজস্ব নাম কেবল একটি শব্দ নয়, বরং এটি প্রতিটি জাতির অস্তিত্বের প্রতীক। এখন থেকে ম্রো, চাক, তঞ্চঙ্গ্যা, খুমি, বম, লুসাই ও খিয়াংসহ সকল জনগোষ্ঠীর উৎসবগুলো তাদের নিজস্ব নামে আলাদাভাবে পরিচিতি পাবে। এর ফলে পাহাড়ের প্রকৃত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।

ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক আরও বলেন- একে অপরের সংস্কৃতিকে তার আসল নামে সম্মান জানানোই হলো প্রকৃত সম্প্রীতি। এই সিদ্ধান্ত নতুন প্রজন্মের কাছে পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া ঐতিহ্যের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে এবং পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সুদৃঢ় করবে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের পক্ষ থেকে পাহাড়ের সকল স্তরের মানুষকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি মেনে আনন্দঘন পরিবেশে আসন্ন নববর্ষের উৎসব উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

প্রতিটি জাতির আত্মপরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে — ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক

উৎসবের নিজস্ব নাম ফেরানোর উদ্যোগ পার্বত্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’

প্রকাশিত: ০৪:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলোর সামষ্টিক নাম ‘বৈসাবি’র পরিবর্তে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্যের নামে (বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ইত্যাদি) উদযাপনের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কর্তৃক গৃহীত এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিয়েছেন জোটের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জোটের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট নাগরিক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘বৈসাবি’ শব্দটি সামষ্টিক পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অনেক ছোট জাতিসত্তার নিজস্ব উৎসবের নাম ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা ম্লান হয়ে যাচ্ছিল। সরকারের এই সাহসী সিদ্ধান্ত পাহাড়ের প্রতিটি জাতির প্রকৃত ইতিহাস ও আত্মপরিচয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, উৎসবের নিজস্ব নাম কেবল একটি শব্দ নয়, বরং এটি প্রতিটি জাতির অস্তিত্বের প্রতীক। এখন থেকে ম্রো, চাক, তঞ্চঙ্গ্যা, খুমি, বম, লুসাই ও খিয়াংসহ সকল জনগোষ্ঠীর উৎসবগুলো তাদের নিজস্ব নামে আলাদাভাবে পরিচিতি পাবে। এর ফলে পাহাড়ের প্রকৃত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।

ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক আরও বলেন- একে অপরের সংস্কৃতিকে তার আসল নামে সম্মান জানানোই হলো প্রকৃত সম্প্রীতি। এই সিদ্ধান্ত নতুন প্রজন্মের কাছে পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া ঐতিহ্যের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে এবং পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সুদৃঢ় করবে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের পক্ষ থেকে পাহাড়ের সকল স্তরের মানুষকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি মেনে আনন্দঘন পরিবেশে আসন্ন নববর্ষের উৎসব উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।