শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন; অবৈধ পাহাড় কাটা রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি

পাহাড় খেকোদের দমনে মাঠে জেলা প্রশাসন মানিকছড়িতে ডিসি-এসপির ঝটিকা পরিদর্শন

প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংস করে যারা পাহাড় কাটছে, তাদের জন্য সময়টা এখন কঠিন হতে যাচ্ছে। খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে মানিকছড়ির খাড়িছড়া মাস্টার পাড়া এলাকায় পাহাড় কাটার ক্ষতবিক্ষত স্থানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের এই যৌথ উপস্থিতি পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন,মো. আনোয়ার সাদাত, জেলা প্রশাসক, খাগড়াছড়ি। মো. মোরতোজা আলী খাঁন,পুলিশ সুপার, খাগড়াছড়ি। হাসান আহাম্মদ, সহকারী পরিচালক, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর।তাহমিনা আফরোজ ভুঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার। খাদিজা তাহিরা, সহকারী কমিশনার (ভূমি)। মাসুদ পারভেজ, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মানিকছড়ি থানা।

সম্প্রতি মাস্টার পাড়া এলাকায় এক শ্রেণির প্রভাবশালী মহল প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বিশাল এলাকা জুড়ে পাহাড় কেটে আসছিল। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তারা জানান, পাহাড় কাটা শুধু অপরাধ নয়, এটি পরিবেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। পাহাড় কাটার সাথে যারা সরাসরি যুক্ত এবং যারা নেপথ্যে থেকে ইন্ধন জোগাচ্ছে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রকৃতিকে যারা ক্ষতবিক্ষত করছে, আইন তাদের ছাড় দেবে না। পাহাড় রক্ষা করা আমাদের সামষ্টিক দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসনকে নিয়মিত তদারকি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে পরিদর্শন শেষ করেন জেলা প্রশাসক। প্রশাসনের এই তড়িৎ পদক্ষেপে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন; অবৈধ পাহাড় কাটা রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি

পাহাড় খেকোদের দমনে মাঠে জেলা প্রশাসন মানিকছড়িতে ডিসি-এসপির ঝটিকা পরিদর্শন

প্রকাশিত: ০৬:০৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংস করে যারা পাহাড় কাটছে, তাদের জন্য সময়টা এখন কঠিন হতে যাচ্ছে। খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে মানিকছড়ির খাড়িছড়া মাস্টার পাড়া এলাকায় পাহাড় কাটার ক্ষতবিক্ষত স্থানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের এই যৌথ উপস্থিতি পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন,মো. আনোয়ার সাদাত, জেলা প্রশাসক, খাগড়াছড়ি। মো. মোরতোজা আলী খাঁন,পুলিশ সুপার, খাগড়াছড়ি। হাসান আহাম্মদ, সহকারী পরিচালক, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর।তাহমিনা আফরোজ ভুঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার। খাদিজা তাহিরা, সহকারী কমিশনার (ভূমি)। মাসুদ পারভেজ, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মানিকছড়ি থানা।

সম্প্রতি মাস্টার পাড়া এলাকায় এক শ্রেণির প্রভাবশালী মহল প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বিশাল এলাকা জুড়ে পাহাড় কেটে আসছিল। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তারা জানান, পাহাড় কাটা শুধু অপরাধ নয়, এটি পরিবেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। পাহাড় কাটার সাথে যারা সরাসরি যুক্ত এবং যারা নেপথ্যে থেকে ইন্ধন জোগাচ্ছে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রকৃতিকে যারা ক্ষতবিক্ষত করছে, আইন তাদের ছাড় দেবে না। পাহাড় রক্ষা করা আমাদের সামষ্টিক দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসনকে নিয়মিত তদারকি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে পরিদর্শন শেষ করেন জেলা প্রশাসক। প্রশাসনের এই তড়িৎ পদক্ষেপে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে।