শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি Logo মহালছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর যাত্রা শুরু Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ Logo কাপ্তাই চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: প্রথম দিনেই ফরম নিলেন ১ প্রার্থী, চাঞ্চল্য ভোটারদের মাঝে Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক Logo কাপ্তাইয়ে চেকপোস্টে পুলিশের জালে ইয়াবাসহ আটক ১ Logo পানছড়িতে বৈধ ইজারাদারদের তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শঙ্কা Logo কাপ্তাইয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ চাকমা যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ Logo মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ স্লোগানে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা
টানা ভারী বর্ষণে প্লাবিত শেরেবাংলা নগর ও আর্মি পাড়াসহ বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল; খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র

পানির নিচে বান্দরবান: সাঙ্গুর দুকূল ছেপে ডুবছে লোকালয়, উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী

টানা কয়েকদিনের অবিরাম ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সাঙ্গু নদীর পানি। নদীর তীরবর্তী লোকালয়গুলোতে হু হু করে পানি ঢুকতে থাকায় ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে বান্দরবান সদর উপজেলার আর্মি পাড়া, শেরেবাংলা নগরসহ জেলার বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল। তলিয়ে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি।

হঠাৎ পানি বৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক পরিবার ঘরের আসবাবপত্র ও গবাদিপশু নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দুর্গত এলাকার মানুষকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

বান্দরবানের এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং উপদ্রুত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সেনাবাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতোমধ্যেই সেনাসদস্যরা উপদ্রুত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছেন। একই সাথে দুর্গতদের উদ্ধার ও জরুরি ত্রাণ সহায়তার প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে বলে সেনা সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান,সাঙ্গু নদীর পানি এতো দ্রুত বাড়ছে যে ঘরের জিনিসপত্র সরানোর সময়টুকুও পাওয়া যায়নি। কোমর সমান পানি ভেঙে আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে হয়েছে।

টানা বৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধসের তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি

টানা ভারী বর্ষণে প্লাবিত শেরেবাংলা নগর ও আর্মি পাড়াসহ বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল; খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র

পানির নিচে বান্দরবান: সাঙ্গুর দুকূল ছেপে ডুবছে লোকালয়, উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী

প্রকাশিত: ১২:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

টানা কয়েকদিনের অবিরাম ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সাঙ্গু নদীর পানি। নদীর তীরবর্তী লোকালয়গুলোতে হু হু করে পানি ঢুকতে থাকায় ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে বান্দরবান সদর উপজেলার আর্মি পাড়া, শেরেবাংলা নগরসহ জেলার বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল। তলিয়ে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি।

হঠাৎ পানি বৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক পরিবার ঘরের আসবাবপত্র ও গবাদিপশু নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দুর্গত এলাকার মানুষকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

বান্দরবানের এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং উপদ্রুত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সেনাবাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতোমধ্যেই সেনাসদস্যরা উপদ্রুত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছেন। একই সাথে দুর্গতদের উদ্ধার ও জরুরি ত্রাণ সহায়তার প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে বলে সেনা সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান,সাঙ্গু নদীর পানি এতো দ্রুত বাড়ছে যে ঘরের জিনিসপত্র সরানোর সময়টুকুও পাওয়া যায়নি। কোমর সমান পানি ভেঙে আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে হয়েছে।

টানা বৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধসের তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।