শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ Logo কাপ্তাই চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: প্রথম দিনেই ফরম নিলেন ১ প্রার্থী, চাঞ্চল্য ভোটারদের মাঝে Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক Logo কাপ্তাইয়ে চেকপোস্টে পুলিশের জালে ইয়াবাসহ আটক ১ Logo পানছড়িতে বৈধ ইজারাদারদের তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শঙ্কা Logo কাপ্তাইয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ চাকমা যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ Logo মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ স্লোগানে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা Logo মানিকছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত: ৪ উদ্যোক্তাকে যুব ঋণের চেক ও সনদ বিতরণ Logo রাঙামাটির বনরূপায় যাত্রা শুরু করলো নতুন মোবাইল শপ ‘অল ইন ওয়ান বাই এক্সচেঞ্জ’

বাঘাইছড়িতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই তরুণ গ্রেফতার: নেপথ্যে জেলা পুলিশের কড়া নজরদারি

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা পুলিশ। এর অংশ হিসেবে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. আব্দুল্লাহ প্রকাশ মুরাদ (১৭) ও মো. আবু সৈয়দ প্রকাশ বাবলু (১৮) নামের দুই তরুণকে গ্রেফতার করেছে বাঘাইছড়ি থানা পুলিশ।
‎মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। বাঘাইছড়ি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক এবং বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদারের তত্ত্বাবধানে গঠিত পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই সফল অপারেশন পরিচালনা করে।
‎
‎অভিযান পরিচালনাকারী দলের নেতৃত্বদানকারী এসআই (নিরস্ত্র) মো. রিয়াজুল ইসলাম শেখ রানা জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ ওই দুই তরুণকে হাতেনাতে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাদ্রাসাপাড়া ও রাবার ফ্যাক্টরি এলাকায়। তাদের মধ্যে আব্দুল্লাহ প্রকাশ মুরাদের পিতা মো. আব্দুল লতিফ এবং মোছা. মিনা আক্তার; আর আবু সৈয়দ প্রকাশ বাবলুর পিতা রহমত উল্লাহ ও মাতা নূর আয়েশা বেগম।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
‎
‎এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ জানিয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র এবং কিশোর গ্যাংসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সাধারণ মানুষের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এই ধরনের বিশেষ অভিযান ও নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
‎
‎
জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন

বাঘাইছড়িতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই তরুণ গ্রেফতার: নেপথ্যে জেলা পুলিশের কড়া নজরদারি

প্রকাশিত: ১২:২০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা পুলিশ। এর অংশ হিসেবে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. আব্দুল্লাহ প্রকাশ মুরাদ (১৭) ও মো. আবু সৈয়দ প্রকাশ বাবলু (১৮) নামের দুই তরুণকে গ্রেফতার করেছে বাঘাইছড়ি থানা পুলিশ।
‎মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। বাঘাইছড়ি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক এবং বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদারের তত্ত্বাবধানে গঠিত পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই সফল অপারেশন পরিচালনা করে।
‎
‎অভিযান পরিচালনাকারী দলের নেতৃত্বদানকারী এসআই (নিরস্ত্র) মো. রিয়াজুল ইসলাম শেখ রানা জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ ওই দুই তরুণকে হাতেনাতে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাদ্রাসাপাড়া ও রাবার ফ্যাক্টরি এলাকায়। তাদের মধ্যে আব্দুল্লাহ প্রকাশ মুরাদের পিতা মো. আব্দুল লতিফ এবং মোছা. মিনা আক্তার; আর আবু সৈয়দ প্রকাশ বাবলুর পিতা রহমত উল্লাহ ও মাতা নূর আয়েশা বেগম।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
‎
‎এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ জানিয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র এবং কিশোর গ্যাংসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সাধারণ মানুষের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এই ধরনের বিশেষ অভিযান ও নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
‎
‎