খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে গচ্ছাবিল বাজারে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। তবে সংবাদের সূত্র ধরে দ্রুতই উন্মোচিত হয়েছে প্রকৃত রহস্য। অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শিশুটি ফিরে পেয়েছে তার আশ্রয়।
ঘটনার শুরু হয় গচ্ছাবিল বাজারে। শিশু তারেকুল ইসলাম জানায়, তার সৎ বাবা ছগির হোসেন তাকে বন্ধুর বাড়ি থেকে ঘুরে আসি বলে রাস্তার পাশে বসিয়ে রেখে যান। দীর্ঘ সময় পার হলেও সেই ‘বাবা’ আর ফিরে না আসায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে শিশুটি। দিশেহারা শিশুটির খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে এবং মানিকছড়ি থানা পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
সংবাদটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশের পর মানিকছড়ি থানায় ছুটে আসেন শিশুটির দাদা আব্দুর রশিদ (৬৮)। সেখানে এক চাঞ্চল্যকর তথ্যের উদ্ভব হয়। আব্দুর রশিদ দাবি করেন, শিশুটি ভয় বা বিভ্রান্তি থেকে শুরুতে কিছু ভুল তথ্য দিয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে শিশুটির বাবা ময়নুল ইসলাম মারা যাননি এবং তাদের বাড়ি মানিকছড়ি উপজেলার ওসমানপল্লী এলাকায়।
মানিকছড়ি থানা পুলিশ দ্রুত সত্যতা যাচাই করে এবং শিশুটির নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে যথোপযুক্ত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং মুচলেকা গ্রহণের মাধ্যমে শিশু তারেকুলকে তার আপন দাদা আব্দুর রশিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, শিশুটির নিরাপত্তা ও পারিবারিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় তারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নিজের স্বজনদের ফিরে পেয়ে দীর্ঘ উৎকণ্ঠার অবসান ঘটেছে ছোট্ট তারেকুলের।
নিজস্ব প্রতিবেদক 















