জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামের ২৫তম অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে দেওয়া বক্তব্যের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠেছে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ’। এই বক্তব্যকে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন তারা।
সম্প্রতি জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামের ২৫তম অধিবেশনে “আদিবাসী ও জলবায়ু পরিবর্তন” শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন অগাস্টিনা চাকমা ও চঞ্চনা চাকমা। অভিযোগ উঠেছে, সেখানে তাদের উপস্থাপিত বক্তব্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিকে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের দাবি, অধিবেশনে দেওয়া তথ্যগুলো সম্পূর্ণ একপেশে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তবতার সাথে এর কোনো মিল নেই।প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এই ত্যাগকে বিশ্বদরবারে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করাকে দেশের অখণ্ডতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে সংগঠনটি।নাগরিক পরিষদের বার্তা (সাধারণ সম্পাদক এস এম মাসুম রানা)।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, “তথ্য বিকৃতি করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ভুল বার্তা দেওয়া দেশের শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার একটি সুগভীর ষড়যন্ত্র। যারা বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
দাবিসমূহ:আন্তর্জাতিক ফোরামে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সত্যনিষ্ঠা বজায় রাখা,পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগকে সম্মান করা,দেশবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র অবিলম্বে বন্ধ করা।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে, তখন খাগড়াছড়ি থেকে আসা এই কড়া প্রতিবাদ ভিন্ন মাত্রা যোগ করল। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং অপপ্রচার রুখতে প্রশাসন ও সচেতন মহল একতাবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















