শিরোনামঃ
Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর
অতিরিক্ত দায়িত্বে জোড়াতালির প্রশাসন; থমকে গেছে পাহাড়ি জনপদের উন্নয়ন।

২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

মহালছড়ি উপজেলা পরিষদ ভবনের মেইন গেট, শূন্য ইউএনও কার্যালয় এবং নেমপ্লেটের ক্লোজ-আপ শট।
একটি উপজেলার প্রশাসনিক মূল চালিকাশক্তি যেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা ইউএনও, সেখানে দীর্ঘ দুটি মাস ধরে সম্পূর্ণ অভিভাবকহীন খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলা।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ বারান্দায় অপেক্ষা করছেন, ফাইলে সই না হওয়া হতাশ। নিয়মিত ইউএনও মোঃ আবু রায়হান বদলি হওয়ার পর ৬০ দিনেরও বেশি সময় পার হলেও, এখনো মেলেনি নতুন কোনো স্থায়ী কর্মকর্তা। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম, আর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। |

পার্শ্ববর্তী গুইমারা উপজেলার ইউএনও মিসকাতুল তামান্নাকে দেওয়া হয়েছে মহালছড়ির অতিরিক্ত দায়িত্ব। কিন্তু নিজের মূল কর্মস্থল সামলে সপ্তাহে মাত্র এক বা দুদিন দূরবর্তী এই পাহাড়ি অঞ্চলে এসে রুটিন কাজ করা কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়। সিংহভাগ সময়ই উপজেলা থাকছে নেতৃত্বহীন।

জাতীয়তা সনদ, বিভিন্ন ফাইল, সরকারি অনুদানের কাগজপত্রের ক্লোজ-আপ এবং মাঠপর্যায়ে থমকে থাকা কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের (যেমন রাস্তা বা কালভার্ট)।
জরুরি প্রত্যয়নপত্র, জাতীয়তা সনদ, বিভিন্ন দাপ্তরিক ফাইলের অনুমোদন কিংবা সরকারি অনুদান বণ্টন—সবখানেই এখন আটকে আছে সাধারণ মানুষের ভাগ্য। শুধু তাই নয়, মাঠপর্যায়ে তদারকির অভাবে থমকে গেছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডও।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ ভুক্তভোগীরা বলেন ইউএনও স্যার না থাকায় আমরা ছোটখাটো কাজের জন্য এসেও দিনের পর দিন ঘুরে যাচ্ছি। দূর থেকে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে। এলাকায় কোনো জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ারও মানুষ নেই। আমরা দ্রুত একজন স্থায়ী ইউএনও চাই।

পাহাড়ি এই অঞ্চলের প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের নিত্যদিনের এই ভোগান্তি দূর করতে অবিলম্বে মহালছড়িতে একজন স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে সরকার—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

অতিরিক্ত দায়িত্বে জোড়াতালির প্রশাসন; থমকে গেছে পাহাড়ি জনপদের উন্নয়ন।

২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

প্রকাশিত: ০৩:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

মহালছড়ি উপজেলা পরিষদ ভবনের মেইন গেট, শূন্য ইউএনও কার্যালয় এবং নেমপ্লেটের ক্লোজ-আপ শট।
একটি উপজেলার প্রশাসনিক মূল চালিকাশক্তি যেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা ইউএনও, সেখানে দীর্ঘ দুটি মাস ধরে সম্পূর্ণ অভিভাবকহীন খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলা।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ বারান্দায় অপেক্ষা করছেন, ফাইলে সই না হওয়া হতাশ। নিয়মিত ইউএনও মোঃ আবু রায়হান বদলি হওয়ার পর ৬০ দিনেরও বেশি সময় পার হলেও, এখনো মেলেনি নতুন কোনো স্থায়ী কর্মকর্তা। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম, আর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। |

পার্শ্ববর্তী গুইমারা উপজেলার ইউএনও মিসকাতুল তামান্নাকে দেওয়া হয়েছে মহালছড়ির অতিরিক্ত দায়িত্ব। কিন্তু নিজের মূল কর্মস্থল সামলে সপ্তাহে মাত্র এক বা দুদিন দূরবর্তী এই পাহাড়ি অঞ্চলে এসে রুটিন কাজ করা কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়। সিংহভাগ সময়ই উপজেলা থাকছে নেতৃত্বহীন।

জাতীয়তা সনদ, বিভিন্ন ফাইল, সরকারি অনুদানের কাগজপত্রের ক্লোজ-আপ এবং মাঠপর্যায়ে থমকে থাকা কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের (যেমন রাস্তা বা কালভার্ট)।
জরুরি প্রত্যয়নপত্র, জাতীয়তা সনদ, বিভিন্ন দাপ্তরিক ফাইলের অনুমোদন কিংবা সরকারি অনুদান বণ্টন—সবখানেই এখন আটকে আছে সাধারণ মানুষের ভাগ্য। শুধু তাই নয়, মাঠপর্যায়ে তদারকির অভাবে থমকে গেছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডও।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ ভুক্তভোগীরা বলেন ইউএনও স্যার না থাকায় আমরা ছোটখাটো কাজের জন্য এসেও দিনের পর দিন ঘুরে যাচ্ছি। দূর থেকে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে। এলাকায় কোনো জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ারও মানুষ নেই। আমরা দ্রুত একজন স্থায়ী ইউএনও চাই।

পাহাড়ি এই অঞ্চলের প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের নিত্যদিনের এই ভোগান্তি দূর করতে অবিলম্বে মহালছড়িতে একজন স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে সরকার—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের।