শিরোনামঃ
Logo মানিকছড়িতে দাম্পত্য কলহের জের ধরে বিষপানে স্বামীর মৃত্যু ‎ Logo মানিকছড়িতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন: ডিজিটাল লেনদেনে নতুন দিগন্ত Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কাপ্তাইয়ে বরইছড়ি মুসলিম সমাজের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎ Logo রাঙামাটিতে ১৩তম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ‎
দুই গ্রাহকের আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলে এলাকায় চাঞ্চল্য; পিডিবির চরম গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় ডিজিটাল মিটারেও ‘ভৌতিক বিল’: লাস্ট ডেট ২০৩০ সাল

ডিজিটাল কিংবা প্রিপেইড মিটারের মূল উদ্দেশ্যই ছিল গ্রাহকদের নির্ভুল সেবা দেওয়া এবং ভৌতিক বিলের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া। কিন্তু খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় ঘটেছে ঠিক উল্টো পিঠের এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। ডিজিটাল মিটার থাকার পরও দুজন সাধারণ গ্রাহকের নামে এসেছে বিশাল অঙ্কের ‘ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল’। শুধু বিলের টাকার অঙ্কেই নয়, বিল পরিশোধের শেষ সময় (লাস্ট ডেট) দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০ সাল! পিডিবির (PDB) এমন অদ্ভুত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জালিয়াপাড়ার ওই দুই ভুক্তভোগী গ্রাহক নিয়মিত তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিলেন। হঠাৎ চলতি মাসে তাদের হাতে আসা বিদ্যুৎ বিল দেখে চোখ চড়কগাছ হওয়ার দশা। ডিজিটাল মিটার হওয়া সত্ত্বেও কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই মনগড়া এবং আকাশচুম্বী বিল প্রস্তুত করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তার চেয়েও বড় চমক তৈরি করেছে বিল পরিশোধের সময়সীমা। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ২০৩০ সালের ডেট দেখে গ্রাহকরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, ডিজিটাল মিটার লাগানোর পর আমরা ভেবেছিলাম আর ভোগান্তি হবে না। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চরম গাফিলতি এবং খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের এই মানসিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিলের এই অদ্ভুত ভুল নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখন নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের দানা বাঁধছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টিকে ‘টেকনিক্যাল বা টাইপিং ভুল’ বলে এড়াতে চান এবং দ্রুতই এটি সংশোধন করে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন—ডিজিটাল যুগেও যদি এমন প্রাচীন আমলের ‘ভৌতিক’ ভুল হতে থাকে, তবে ডিজিটাল সেবার স্বচ্ছতা থাকবে কোথায়? অবিলম্বে এই গাফিলতির তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানিকছড়িতে দাম্পত্য কলহের জের ধরে বিষপানে স্বামীর মৃত্যু ‎

দুই গ্রাহকের আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলে এলাকায় চাঞ্চল্য; পিডিবির চরম গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় ডিজিটাল মিটারেও ‘ভৌতিক বিল’: লাস্ট ডেট ২০৩০ সাল

প্রকাশিত: ০৪:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ডিজিটাল কিংবা প্রিপেইড মিটারের মূল উদ্দেশ্যই ছিল গ্রাহকদের নির্ভুল সেবা দেওয়া এবং ভৌতিক বিলের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া। কিন্তু খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় ঘটেছে ঠিক উল্টো পিঠের এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। ডিজিটাল মিটার থাকার পরও দুজন সাধারণ গ্রাহকের নামে এসেছে বিশাল অঙ্কের ‘ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল’। শুধু বিলের টাকার অঙ্কেই নয়, বিল পরিশোধের শেষ সময় (লাস্ট ডেট) দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০ সাল! পিডিবির (PDB) এমন অদ্ভুত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জালিয়াপাড়ার ওই দুই ভুক্তভোগী গ্রাহক নিয়মিত তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিলেন। হঠাৎ চলতি মাসে তাদের হাতে আসা বিদ্যুৎ বিল দেখে চোখ চড়কগাছ হওয়ার দশা। ডিজিটাল মিটার হওয়া সত্ত্বেও কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই মনগড়া এবং আকাশচুম্বী বিল প্রস্তুত করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তার চেয়েও বড় চমক তৈরি করেছে বিল পরিশোধের সময়সীমা। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ২০৩০ সালের ডেট দেখে গ্রাহকরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, ডিজিটাল মিটার লাগানোর পর আমরা ভেবেছিলাম আর ভোগান্তি হবে না। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চরম গাফিলতি এবং খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের এই মানসিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিলের এই অদ্ভুত ভুল নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখন নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের দানা বাঁধছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টিকে ‘টেকনিক্যাল বা টাইপিং ভুল’ বলে এড়াতে চান এবং দ্রুতই এটি সংশোধন করে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন—ডিজিটাল যুগেও যদি এমন প্রাচীন আমলের ‘ভৌতিক’ ভুল হতে থাকে, তবে ডিজিটাল সেবার স্বচ্ছতা থাকবে কোথায়? অবিলম্বে এই গাফিলতির তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।