শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি Logo মহালছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর যাত্রা শুরু Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ Logo কাপ্তাই চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: প্রথম দিনেই ফরম নিলেন ১ প্রার্থী, চাঞ্চল্য ভোটারদের মাঝে Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক Logo কাপ্তাইয়ে চেকপোস্টে পুলিশের জালে ইয়াবাসহ আটক ১ Logo পানছড়িতে বৈধ ইজারাদারদের তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শঙ্কা Logo কাপ্তাইয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ চাকমা যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ Logo মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ স্লোগানে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা
দুই গ্রাহকের আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলে এলাকায় চাঞ্চল্য; পিডিবির চরম গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় ডিজিটাল মিটারেও ‘ভৌতিক বিল’: লাস্ট ডেট ২০৩০ সাল

ডিজিটাল কিংবা প্রিপেইড মিটারের মূল উদ্দেশ্যই ছিল গ্রাহকদের নির্ভুল সেবা দেওয়া এবং ভৌতিক বিলের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া। কিন্তু খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় ঘটেছে ঠিক উল্টো পিঠের এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। ডিজিটাল মিটার থাকার পরও দুজন সাধারণ গ্রাহকের নামে এসেছে বিশাল অঙ্কের ‘ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল’। শুধু বিলের টাকার অঙ্কেই নয়, বিল পরিশোধের শেষ সময় (লাস্ট ডেট) দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০ সাল! পিডিবির (PDB) এমন অদ্ভুত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জালিয়াপাড়ার ওই দুই ভুক্তভোগী গ্রাহক নিয়মিত তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিলেন। হঠাৎ চলতি মাসে তাদের হাতে আসা বিদ্যুৎ বিল দেখে চোখ চড়কগাছ হওয়ার দশা। ডিজিটাল মিটার হওয়া সত্ত্বেও কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই মনগড়া এবং আকাশচুম্বী বিল প্রস্তুত করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তার চেয়েও বড় চমক তৈরি করেছে বিল পরিশোধের সময়সীমা। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ২০৩০ সালের ডেট দেখে গ্রাহকরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, ডিজিটাল মিটার লাগানোর পর আমরা ভেবেছিলাম আর ভোগান্তি হবে না। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চরম গাফিলতি এবং খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের এই মানসিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিলের এই অদ্ভুত ভুল নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখন নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের দানা বাঁধছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টিকে ‘টেকনিক্যাল বা টাইপিং ভুল’ বলে এড়াতে চান এবং দ্রুতই এটি সংশোধন করে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন—ডিজিটাল যুগেও যদি এমন প্রাচীন আমলের ‘ভৌতিক’ ভুল হতে থাকে, তবে ডিজিটাল সেবার স্বচ্ছতা থাকবে কোথায়? অবিলম্বে এই গাফিলতির তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি

দুই গ্রাহকের আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলে এলাকায় চাঞ্চল্য; পিডিবির চরম গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় ডিজিটাল মিটারেও ‘ভৌতিক বিল’: লাস্ট ডেট ২০৩০ সাল

প্রকাশিত: ০৪:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ডিজিটাল কিংবা প্রিপেইড মিটারের মূল উদ্দেশ্যই ছিল গ্রাহকদের নির্ভুল সেবা দেওয়া এবং ভৌতিক বিলের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া। কিন্তু খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় ঘটেছে ঠিক উল্টো পিঠের এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। ডিজিটাল মিটার থাকার পরও দুজন সাধারণ গ্রাহকের নামে এসেছে বিশাল অঙ্কের ‘ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল’। শুধু বিলের টাকার অঙ্কেই নয়, বিল পরিশোধের শেষ সময় (লাস্ট ডেট) দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০ সাল! পিডিবির (PDB) এমন অদ্ভুত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জালিয়াপাড়ার ওই দুই ভুক্তভোগী গ্রাহক নিয়মিত তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিলেন। হঠাৎ চলতি মাসে তাদের হাতে আসা বিদ্যুৎ বিল দেখে চোখ চড়কগাছ হওয়ার দশা। ডিজিটাল মিটার হওয়া সত্ত্বেও কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই মনগড়া এবং আকাশচুম্বী বিল প্রস্তুত করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তার চেয়েও বড় চমক তৈরি করেছে বিল পরিশোধের সময়সীমা। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে ২০৩০ সালের ডেট দেখে গ্রাহকরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, ডিজিটাল মিটার লাগানোর পর আমরা ভেবেছিলাম আর ভোগান্তি হবে না। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চরম গাফিলতি এবং খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের এই মানসিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিলের এই অদ্ভুত ভুল নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখন নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের দানা বাঁধছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টিকে ‘টেকনিক্যাল বা টাইপিং ভুল’ বলে এড়াতে চান এবং দ্রুতই এটি সংশোধন করে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন—ডিজিটাল যুগেও যদি এমন প্রাচীন আমলের ‘ভৌতিক’ ভুল হতে থাকে, তবে ডিজিটাল সেবার স্বচ্ছতা থাকবে কোথায়? অবিলম্বে এই গাফিলতির তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।